বিএনপির লবিস্ট নিয়োগের বিষয়ে তদন্ত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সক্ষমতা ও আইনি কাঠামো কোনোটাই নেই বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে কমিশনের সভা শেষে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!ইসি সচিব বলেন, ‘বিএনপির লবিস্ট নিয়োগের বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যে চিঠি দিয়েছেন, কমিশন বৈঠকে তা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়েছে। নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো কমিশনে যে অডিট রিপোর্ট জমা দেয়, তা পর্যালোচনা করে দেখা হয়। রিপোর্ট এমন কোনো তথ্য নেই যে বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করার জন্য কোনো অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। তা ছাড়া বিদেশে অর্থ ব্যয় করা হলে তা তদন্ত করার আইনি কাঠামো ও সক্ষমতা ইসির নেই। আইনি কাঠামোতে তথ্যপাচার সংক্রান্ত বিষয় পড়ে না।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের যেসব এজেন্সি অর্থপাচার সংক্রান্ত বিষয় তদন্ত করতে পারে, তারা তদন্ত করে নির্বাচন কমিশনকে দিলে কমিশন তা পর্যালোচনা করে দেখবে। জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ যেহেতু কমিশনের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয়, ফলে তাদের বিষয়ে কমিশনের কিছু করণীয় নেই।’
লবিস্ট নিয়োগ প্রমাণিত হলে কমিশনের এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এরকম বিষয় যদি প্রমাণিত হয় এবং কমিশনকে যদি জানানো হয়, তাহলে তা কমিশন বসে সিদ্ধান্ত নেবে।’
অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগও লবিস্ট নিয়োগ করেছে। বিষয়টি আপনারা খতিয়ে দেখেছেন কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো অভিযোগ আসেনি। আজকের বৈঠকে যে আলোচ্য বিষয় সেখানে এ ধরনের কিছু আসেনি।’
সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম ও বেগম কবিতা খানম উপস্থিত ছিলেন। সদ্য করোনামুক্ত হওয়া নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার কমিশনে এলেও বৈঠক শুরুর আগে পূর্ব নির্ধারিত ডাক্তারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় থাকায় সভায় অংশ নেননি।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক একেএম হুমায়ূন কবীর, ইসির যুগ্ম-সচিব ও পরিচালক (জনসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান।
![]()