৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৮:৩৬
শিরোনাম:

এ মাসেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আশা প্রধানমন্ত্রীর

করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষার্থীরা। ফলে তাদের কথা চিন্তা করে অনলাইনে বা টেলিভিশনে ক্লাসের ব্যবস্থা করেছে সরকার। দ্রুতই এ সমস্যার উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এইচএসসির ফল গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন একটু খারাপ সময় যাচ্ছে। ওমিক্রনের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আমরা আশা করি, এ মাসের শেষের দিকে অবস্থার পরিবর্তন হবে। সেই সময় আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পারব।’

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দ্রুত খুলে দিতে টিকা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান শেখ হাসিনা।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে পরীক্ষার ফল প্রকাশের মূল অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বোর্ডগুলোর কাছ থেকে ফলাফল গ্রহণ করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, সিলেটে পাসের হার ৯৪.৮০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৭৩১ জন, কুমিল্লায় পাসের হার ৯৭.৪৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪ হাজার ১৫৩ জন, বরিশালে পাসের হার ৯৫.৭৬ শতাংশ, জিপিও ৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৯৭১ জন, দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৯২.৪৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ হাজার ৩৪৯ জন।

চট্টগ্রামে পাসের হার ৮৯.৩৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭২০ জন, যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৯৮.১১ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০৮৭৮ জন। রাজশাহীতে পাসের হার ৯৭.২৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২ হাজার ৮০০ জন।

এ বছর সারা দেশে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। সাধারণত প্রতিবছর এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। তবে ২০২১ সালে সংশোধিত ও পুনর্বিন্যাস করা সিলেবাসে গ্রুপভিত্তিক নৈর্বাচনিক তিনটি বিষয়ে মোট ছয়টি পত্রে পরীক্ষা হয়।

Loading