নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে আজই চূড়ান্ত হতে পারে ১০ জনের নাম। চূড়ান্ত এ তালিকা পাঠানো হবে রাষ্ট্রপতির কাছে। সেখান থেকে ৫ জনকে নিয়ে নতুন কমিশন গঠন করবেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!এদিকে সার্চ কমিটিতে প্রস্তাবিত ৩২২ জনের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশই সাবেক আমলা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শতভাগ নিরপেক্ষ ব্যক্তি খুঁজে পাওয়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন পর্যায় থেকে আসা ৩২২ জনের নাম প্রকাশ করেছে অনুসন্ধান কমিটি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে সোমবার রাত ৮টার পর প্রস্তাবিত নাম প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সাবেক আমলা।
তালিকায় দেখা যায়, ৫৪ জন শিক্ষক ও শিক্ষাবিদের নাম রয়েছে। সাবেক বিচারপতি, বিচারক ও আইনজীবীসহ বিচারাঙ্গনের ৬৭ নাম। সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ২৮ কর্মকর্তার নাম রয়েছে তালিকায়, অন্তত ১০ জন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার নামও প্রকাশ করা হয়েছে। রয়েছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টার নামও। তালিকায় স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সংগঠন, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতাদের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। যদিও পূর্বসিদ্ধান্ত অনুযায়ী কারা এই নাম প্রস্তাব করেছে তা প্রকাশ করা হয়নি।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে ১৩৬ জনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। পেশাজীবী সংগঠন দিয়েছে ৪০ জনের নাম। নির্ধারিত ই-মেইলে এসেছে আরও ৯৯ জনের। আর ব্যক্তিগত পর্যায়ে নাম প্রস্তাব করেছেন ৩৪ জন। এ ছাড়া বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময়ও বেশ কিছু নামের প্রস্তাব পেয়েছে কমিটি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের বাস্তবতায় শতভাগ নিরপেক্ষ ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া কঠিন কাজ। তবে তালিকায় থাকা দক্ষ আর বিবেকবান ব্যক্তি বাছাই করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।
ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, নিরপেক্ষ মানুষ পাওয়া খুবই কঠিন। যে কোনো ব্যক্তিকে নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা সহজ। তারপরও আমি বলতে চাই, এরমধ্যে কিছু মানুষ আছেন তারা সত্যিকার অর্থে বিবেক দিয়ে পরিচালিত হন। আমাদের দরকার আসলে সেই ধরনের মানুষ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন সাদেকা হালিম বলেন, তারা যেন কোনো ধরনের শক্তি দ্বারা প্রভাবিত না হন। এ ধরনের মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
চূড়ান্ত ১০ জনের তালিকা আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে নাম জমা দেবে সার্চ কমিটি। সেই তালিকা থেকেই নতুন কমিশনের নাম প্রকাশ করা হবে।
![]()