৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:০৮
শিরোনাম:

সাড়ে ৩ হাজার রুশ সৈন্য হত্যার দাবি ইউক্রেনের

রাশিয়ার অভিযানের পর মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে ইউক্রেনে। দেশটিতে তৃতীয় দিন শনিবারেও (২৬ ফেব্রুয়ারি) হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। এখন পর্যন্ত ইউক্রেনের বেশকিছু অঞ্চল নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে রুশ বাহিনী।
সাড়ে ৩ হাজার রুশ সৈন্য হত্যার দাবি ইউক্রেনের

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এরই মধ্যে রাজধানী শহর কিয়েভে পৌঁছে গেছে রুশ বাহিনী। সেখানে তুমুল লড়াই হচ্ছে ইউক্রেনীয় ও রুশ বাহিনীর মধ্যে।

এদিকে গত দুইদিনে সাড়ে তিন হাজারের বেশি রুশ সৈন্য হত্যার দাবি করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। খবর বিবিসির।

এ ছাড়া ইউক্রেনীয়ান মিলিটারি ফেসবুক পেজে এক পোস্টে দাবি করা হয়, এখন পর্যন্ত সাড়ে তিন হাজারের বেশি রুশ সৈন্য হত্যা ও প্রায় ২০০ সেনাকে বন্দি করা হয়েছে।
এছাড়া পোস্টে আরও দাবি করা হয়, এই দুই দিনে রাশিয়া ১৪টি বিমান, আটটি হেলিকপ্টার, ১০২টি ট্যাংক হারিয়েছে।

এদিকে ওয়াশিংটনের ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়্যারের বিশ্লেষণ অনুসারে, চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ রাজধানীর বাইরে উত্তরাঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে রাশিয়ান বাহিনী। তারা ক্রিমিয়ান উপদ্বীপ দখলের পর উত্তরে খেরসন শহরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

সিএনএন প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সামি শহর, খারকিভ, লুহানস্ক, ডোনেতস্ক ও মারিওপল শহরও এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে।

অন্যদিকে কিয়েভের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ছবি প্রকাশ করেছে প্ল্যানেট ল্যাবস পিবিসি। স্যাটেলাইটের ছবিতে দেখা গেছে, কিয়েভের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অক্ষত অবস্থায় আছে। তবে রানওয়েসহ পুরো বিমানবন্দর যানবাহন দ্বারা অবরুদ্ধ রাখা হয়েছে। বলা হয়েছে, রুশ বিমান অবতরণ এবং বিমানবন্দর ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখতে এ অবরোধ করা হয়।

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলছে বিভিন্ন দেশে। যুক্তরাষ্ট্র, বেলজিয়াম, কানাডা, তুরস্কসহ কয়েকটি দেশে রুশ হামলার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন কয়েক হাজার মানুষ।

চলমান রুশ আগ্রাসনের মুখে অস্ত্রবিরতিতে প্রস্তুত ইউক্রেন। শান্তি প্রতিষ্ঠায় দুদেশের প্রতিনিধি পর্যায়ে আলোচনায় বসতে সম্মতির কথাও জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এমনটিই জানিয়েছেন তারা মুখপাত্র।

এর আগে ক্রেমলিন জানায়, ইউক্রেনের শীর্ষপর্যায়ে আলোচনার জন্য মিনস্কে প্রতিনিধি পাঠাতে সম্মত হন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এদিকে জোট গঠনের পর প্রথমবার প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সেনাদের প্রস্তুত থাকতে বলেছে ন্যাটো।

অন্যদিকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভেও ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে পুতিনের সম্পদ জব্দের ঘোষণা দেয় ইইউ।

Loading