২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:০০
শিরোনাম:

রোদের তাপে আলমিরাতে রাখা বোমা বিস্ফোরণ!

বিক্রির জন্য স্টিলের আলমিরাতে সংরক্ষিত বোমার বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে কেউ হতাহত না হলেও আসবাবপত্র ও ঘরের ক্ষতি হয়েছে। সোমবার (৭ মার্চ) বিকেল পৌনে তিনটার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের নন্দনপট্রি গ্রামের কবির মৃধা ওরফে বোমা কবিরের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গৌরনদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেন। তিনি জানান, খবর পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিস্ফোরণস্থানে জর্দার কৌটা ও রাসায়নিক পাওয়া গেছে।

স্থানীয়রা বলছেন, বোমা বিস্ফোরণ। তবে পরীক্ষা ছাড়া কিছুই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে ধারণা করা হচ্ছে ককটেল বা বোমা হতে পারে। ঘটনাস্থলের নমুনা পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিবেদন আসার পরে মামলা দায়ের হবে।

এ কর্মকর্তা আরো বলেন, যে ঘরে বিস্ফোরণ হয়েছে সেই ঘরে কাউকে আমরা পাইনি।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বোমা কবিরের বড় ভাই আয়নাল মৃধার স্ত্রী রুনা বেগম বলেন, ঘরের সামনের বারান্দায় রাখা আলমারিতে বিকট শব্দে কতগুলো বোমা একত্রে বিস্ফোরিত হয়। আমরা আতঙ্কে চারদিকে ছুটোছুটি করতে থাকি। অনেকে প্রাণের ভয়ে খাটের নিচে আশ্রয় নেয়। বোমার আঘাতে শোকেজটি ছিন্নি ভিন্ন, আসবাবপত্র তছনছ হয়ে গেছে। বেড়ার টিন উড়ে গেছে।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছে, বিস্ফোরণের আগে বোমা কবির পরিবারসহ ঘরেই ছিল। ঘটনার পর সে স্ত্রী ও মেয়েসহ তাৎক্ষণিত আত্মগোপনে চলে যান।

৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হক সরদার জানান, দুপুরে চিহ্নিত বোমা কারিগর কবিরের ঘরে বোমা বিস্ফোরণের বিকট শব্দে পুরো এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। সে (কবির) ওই গ্রামের মৃত মোহাম্মদ মৃধার ছেলে।

ইউপি সদস্য নূর মোহাম্মদ সরদার জানান, ধারণা করা হচ্ছে বিক্রির উদ্দেশ্যে স্টিলের আলমিরার মধ্যে বোমাগুলো সংরক্ষণ করা ছিল। প্রচণ্ড রোদের তাপে গরম হয়ে তা বিস্ফোরণ হয়। আমরা চাই বোমা কবিরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

Loading