২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৪২
শিরোনাম:

গজারিয়ায় চাঞ্চল্যকর কিশোর হত্যা মামলার দুই আসামী গ্রেফতার

নেয়ামূল হক গজারিয়া প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় চাঞ্চল্যকর কিশোর জান্নাত (১৬) হত্যা মামলার অন্যতম আসামীদ্বয়কে গ্রেফতার করেছে গজারিয়া থানা পুলিশ। গত (১০মার্চ ২০২২ ইং) বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের গুয়াগাছিয়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী মোঃ মানিক হোসেন এর ছেলে গুয়াগাছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র মোঃ জান্নাত নামে এক কিশোর হত্যা মামলার ঘটনায় দুই জনকে আটক করেছে গজারিয়া থানা পুলিশ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এ ঘটনায় নিহত জান্নাতের মা মোসাঃ সুমি বেগম চারজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করে অজ্ঞাত ২-৩ জনের বিরুদ্ধে, ৩০২/ ৩৪ ধারা গজারিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। নিহত জান্নাতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, মো. জান্নাত একই এলাকার মোঃ মোস্তফার মেয়ে প্রেমিকা জান্নাতির সঙ্গে দেখা করতে ওই দিন রাত ১২টার দিকে তার বাড়িতে গেলে প্রেমিক জান্নাতকে প্রেমিকা জান্নাতির পরিবারের লোকজন মারধর করে জান্নাতিদের বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত জায়গায় ফেলে রাখে। পরে জান্নাতের লোকজন খবর পেয়ে ঘটনার স্থলে এসে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হত্যা মামলার ঘটনাটি বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয় এবং জনমনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ঘটনাটির পরপরই গজারিয়া থানার একটি চৌকশ দল এর প্রধান অফিসার ইনচার্জ রইছ উদ্দিন এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সংগোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১২ই মার্চ, শনিবার ভোরে, উক্ত হত্যা কান্ডের অন্যতম সহযোগী ও মামলার আসামী মোঃ মামুন (৪৫) ও আলেহা বেগম (৪৫) কে, গুয়াগাছিয়া এলাকার গুয়াগাছিয়া গ্রাম থেকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন গুয়াগাছিয়া গ্রামের হোসেন মিয়ার ছেলে মোঃ মামুন এবং প্রেমিকা জান্নাতির মা আলেহা বেগম। গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রইছ উদ্দিন বলেন, প্রাপ্ত সংবাদের সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে আভিযানিক দলটি গত শনিবার ভোরে গজারিয়া থানাধীন গুয়াগাছিয়া গ্রামস্থ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক আসামীদ্বয় কে গ্রেফতার করে।
তিনি আরো বলেন গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে তারা উভয়ে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত ছিল বলে স্বীকার করেছে।

Loading