৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:২০
শিরোনাম:

নীলক্ষেতে সড়ক অবরোধ সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের

বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হওয়ায় ফের সড়কে নেমেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা রাজধানীর নীলক্ষেত সড়ক অবরোধ করেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

করোনা সংক্রমণের কারণে গত ১৬ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯, ২০১৯-২০ সেশনের সব বিভাগের অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের প্রমোশন দেওয়াসহ তিন দফা দাবিতে নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করা হয়। পরে শিক্ষকদের আশ্বাসে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করেন শিক্ষার্থীরা। আল্টিমেটামের সেই সময় পেরিয়ে গেলেও সমাধান না পেয়ে আবারও সড়কে নেমেছেন তারা।

আজ দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের দিকে নীলক্ষেত সড়ক অবরোধ করেন সাত কলেজের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

আন্দোলনকারীদের একজন বলেন, ‘আমাদের ইনকোর্স পরীক্ষা নেওয়া হয় কিন্তু মূল নম্বরের সঙ্গে এটা যোগ করা হয় না। দর্শন বিভাগের যেসব শিক্ষার্থী আছে তাদের প্রশ্নের মানবণ্টন পরিবর্তন করতে হবে এবং সাত কলেজে যেভাবে গণহারে ফেল করিয়ে দেওয়া হচ্ছে সেটার বিষয়ে সুষ্ঠু ও স্থায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে আমরা রাজপথ ছাড়ব না। প্রয়োজন হলে আমরণ অনশনে বসব।’

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন কারণে সিজিপিএ শিথিল করা হয়েছে। এবার করোনাকালীন সময় বিবেচনা করে শেষবারের মতো প্রয়োজনে লিখিত নিয়ে মানবিক বিবেচনায় ১ম, ২য়, ৩য় বর্ষের সব বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরবর্তী বর্ষে প্রমোশন দিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে বসার সুযোগ করে দিতে হবে। তা না হলে, এখানেই আমাদের শিক্ষা জীবনের ইতি টানতে হবে।’

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- করোনা সংক্রমণের কারণে সিজিপিএ শর্ত শিথিল করে ১ম, ২য়, এবং ৩য় বর্ষের (১৯-২০, ১৮-১৯, ১৭-১৮) প্রকাশিত সব বিভাগের অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরবর্তী বর্ষে প্রমোশন দেওয়া, দর্শন বিভাগের প্রশ্নের মানবণ্টন পরিবর্তন করে, ১০০ নম্বরের পরিবর্তে ৮০ নম্বরের পরীক্ষা নিতে হবে এবং ২০ নম্বর ইনকোর্সের মাধ্যমে যোগ করতে হবে; গণহারে ফেল করার কারণ ও প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে এবং স্থায়ী সমাধান করতে হবে।

Loading