২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:৫৯
শিরোনাম:

হরতাল ঘিরে উত্তেজনায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত, আটক ২৪

নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আধাবেলা হরতালে সারা দেশে স্বাভাবিক ছিল যান চলাচল। তবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে তৈরি হয় উত্তেজনা। সারা দেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া আটক করা হয়েছে ২৪ জনকে। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতাকর্মীরা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

হরতালের সমর্থনে সোমবার (২৮ মার্চ) সকাল থেকে রাজধানীর ব্যস্ততম পয়েন্ট পল্টন মোড় আটকে রাখেন নেতাকর্মীরা।

রাস্তার একপাশে গিয়ে কর্মসূচি পালন করতে হরতাল সমর্থকদের বারবার অনুরোধ জানান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। কিন্তু তাতে কর্ণপাত না করে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান বাম নেতাকর্মীরা।

শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন হরতাল সমর্থকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ও রাবার বুলেট ছুড়ে পুলিশও। আহত হন বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। আটক করা হয় কয়েকজনকে। কর্মসূচিতে হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এদিকে, চট্টগ্রামেও হরতাল সমর্থক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। জোট নেতাদের দাবি, বিনা উসকানিতে হামলা করে সারাদেশে পুলিশ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে আহত করেছে, আটক করেছে ২৪ জনকে।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, বিনা উসকানিতে পুলিশ ঢাকাসহ সারা দেশে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে। অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এই ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। এদিকে জনজীবনে লক্ষ্য করা যায়নি হরতালের প্রভাব। সকাল থেকেই যানচলাচল স্বাভাবিক ছিল।

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে আধাবেলা হরতাল কর্মসূচি পালন করে বাম গণতান্ত্রিক জোট। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধ এবং গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়ানোর তৎপরতা বন্ধের দাবিতে এ হরতাল পালন করেন তারা।

 

Loading