২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১:১৭
শিরোনাম:

দুই গ্রুপের বোমাবাজিতে বেনাপোল বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ

বেনাপোল বন্দরে হ্যান্ডলিং শ্রমিকদের দুই পক্ষের আধিপত্য বিস্তারের কোন্দল থেকে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। মুহূর্মুহু বিস্ফোরণে বন্ধ হয়ে গেছে বন্দরের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম। বোমা হামলায় আহত হয়েছেন পথচারীসহ ১০ জন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সোমবার সকালে স্থলবন্দরের হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক ও বেনাপোল পৌর কাউন্সিলর রাশেদ আলীর নেতৃত্বে বহিরাগত একটি দলের মধ্যে এই বোমাবাজির ঘটনা ঘটে।

এসময়ে শতাধিক শক্তিশালী হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। আতংকিত হয়ে বন্দরে কর্মরত কাস্টমস, বন্দর, সিএন্ডএফ এজেন্ট, ট্রান্সপোর্ট কর্মচারি ও সাধারণ পথচারিরা ছোটাছুটি করতে থাকেন।

প্রায় ৩ ঘন্টা বন্ধ থাকে বেনাপোল-কলকাতা সড়ক। বন্দর ও আশেপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায় লোকজন।

এ ঘটনায় আজিজুর রহমান ও আলী হোসেনসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এর ফলে সকাল ১১টা থেকে বন্ধ রয়েছে বন্দরের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, দলীয় প্রভাব বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন ও বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটনের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। বর্তমানে বন্দরের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এমপি সমর্থকদের হাতে।

যশোরের নাভারন সার্কেল এএসপি জুয়েল ইমরান জানান, বন্দরে দুটি শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সংবাদ পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এ ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

এ ঘটনায় বন্দর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হলেও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

Loading