২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:২৯
শিরোনাম:

মাদকে ভাসছে শিক্ষানগরী সৈয়দপুর; রয়েছে হোম ডেলিভারির ব্যবস্হা

ডেস্ক রির্পোট  : উত্তরে’র রাজধানী, রংপুর বিভাগের প্রধান ও একমাত্র বাণিজ্যিক সম্ভাবনার শহর; যাকে প্রধান্য দিয়ে তৈরী হয় রংপুর – রাজশাহী বিভাগের একমাত্র ইপিজেড। অপার সম্ভাবণার প্রানের সৈয়দপুর ভালো নেই!!
মাদকের ভয়াল থাবায় ক্ষতবিক্ষত  নীলফামারীর শিক্ষা নগরী খ্যাত সৈয়দপুর। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর লোক দেখানো অভিযানে বহাল তবিয়তে রয়েছে মাদক সিন্ডিকেট এমনই অভিযোগ সচেতন মহলের। শিক্ষা নগরী সৈয়দপুরে রয়েছে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুল, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সরকারী বিজ্ঞান কলেজ, সায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ, সানফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজ, মহিলা কলেজ, সৈয়দপুর সরকারী কলেজ, আদর্শ কলেজ, পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, তুলসীরাম উচ্চ বিদ্যালয়, ইসলামিয়া হাই স্কুল, বাংলা হাইস্কুল, মুসলিম হাই স্কুল, কামারপুকুর কলেজ, রেলওয়ে হাই স্কুলসহ একাধিক ভকেশনাল কলেজ ও স্কুল।
সর্বশেষ সংযোজন  সৈয়দপুর আর্মি ইউনিভার্সিটি;
 এই ইউনিভার্সিটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে শহরের ক্যান্টমেন্ট এলাকা থেকে চৌমুহনি এলাকার প্রত্যন্ত গ্রামটিও আজ শহরে পরিনত হয়েছে। শহরে ছাত্রদের আধিক্য বাড়ার কারনে বসে নেই মাদক কারবারীরা। তারাও কোমর বেঁধে নেমেছে, তারা একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরী করে শহরের প্রতিটি পাড়া মহল্লা, কলেজ ক্যাম্পাস, রেষ্টুরেন্ট এমনকি সড়কেও চালাচ্ছে তাদের অবৈধ মাদকের কারবার।
সৈয়দপুরে ক্যান্টনমেন্ট রোড, ১নং রেলওয়ে ঘুমটি সংলগ্ন ফুল বাগান, ১১০ নং বাংলো পিকআপ ষ্ট্যান্ড, সিএসডি মোড়, ফাইভ ষ্টার মাঠ, ক্যান্টমেন্ট পাবলিক স্কুলের সামনে বুচারী গেট, পার্বতীপুর রোডের মোড়, আদানী মোড়, জুম্মাপাড়া, লায়ন্স স্কুলের গলি, একাউন্টস অফিসের গলি, হাতিখানা গোরস্থান গেট, কদমতলী, মহুয়া গাছ, মুন্সীপাড়া, ইসলামিয়া স্কুলের গলিসহ আশেপাশের এলাকাগুলির মাদক নিয়ন্ত্রন করে একটি সিন্ডিকেট।  মুন্সীপাড়া থেকে ক্যাডার ও ক্যাম্পবাসী অবাঙ্গালী হকারদের মাধ্যমে এই সমস্ত এলাকায় মাদক সরবরাহ করা হয়। তাদের টার্গেট হলো স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সেই  শিক্ষার্থীরা। তাদের সাথে নানানভাবে সখ্যতা তৈরী করে বিভিন্ন স্পটসহ মাদকের হোম ডেলিভারীর ব্যবস্থাও রয়েছে  ফলে শিক্ষানগরী খ্যাত সৈয়দপুর পরিনত হচ্ছে মাদকের নগরীতে।
মাঝে মাঝে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করে কিছু মাদকসেবী ও খুচরা বিক্রেতাকে ধরে গডফাদারদের আড়াল করছেন। এব্যাপারে একাধিক আওয়ামীলীগ নেতা ও সুধী সমাজের সাথে কথা হলে তারা বলেন গ্রাম পর্য়ায়ে একজন এবং শহরে মাদক সম্রাট , এদের বৈধ কোন ব্যবসা নেই তারা মাদক ব্যবসা করেই এখন বিলাস বহুল জীবন যাপন করছেন।

Loading

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!