২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৩:০৪
শিরোনাম:

রমজানের শুরুতেই লাগামহীন সবজির বাজার (ভিডিও)

প্রতি বছরের মতো এবারের রমজানেও ঊর্ধ্বমুখী সবজির বাজার। রোজার শুরুতেই চড়া সবজির বাজার। মানভেদে প্রতিটি সবজির জন্য গুনতে হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। ইফতারের মুখরোচক খাবার বেগুন আর শসার দাম সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে। দোকানিরা বলেন, লম্বা বেগুন, গাজর, মরিচ, টমেটো এগুলোর দাম অনেক বেশি।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সরকারি হিসেবে তেলের দাম কমলেও বাজারভেদে সরবরাহ ও দামের ভিন্নতা রয়েছে সয়াবিন তেলের। তাই দেখা দিয়েছে দামের ভিন্নতাও। এ বিষয়ে দোকানিদের বক্তব্য, তেলের সরবরাহ ভালো আছে। সরকার নির্ধারিত ১৬০ টাকা রেটে তেল বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু আরেকজন দিলেন নতুন ভাষ্য। তিনি বলেন, বাজারে যদি ৫ লিটারের বোতল পাওয়া যায় তাহলে দেখা যাবে ২ লিটার, ২ লিটার পাওয়া গেলে এক লিটার এবং ১ লিটার পেলে হাফ লিটার নেই। তেল যেভাবে আসার কথা আসেনি। আগের রেটে কিছু তেল আছে এগুলো পাওয়া যায়, কিন্তু নতুন রেটে কোনও তেল পাওয়া যায় না। এজন্য আমাদের বিক্রি করতে অনেক অসুবিধা। ক্রেতারা বলে তেলের দাম কমছে তেল কই। নতুন দামে তো আমাদের দিচ্ছে না।

ভ্যাট-ট্যাক্স কমানোর পরও অন্যান্য রমজানের তুলনায় এবারের রোজায় চিনি, ছোলা ও মসুর ডালের দাম কিছুটা বেশি বলেই অভিযোগ ক্রেতা-বিক্রেতার। একজন বিক্রেতা বলেন, চিনি, মসুরি ডাল, পোলার চাউলের দাম বেশি। অন্যদিকে ক্রেতার ভাষ্য, ইফতারির আইটেমগুলোর দাম অনেক বেশি, কম হলে ভালো হয় সবার জন্য।

বাজার নিয়ন্ত্রণে রোজার প্রথম দিনেই বাজার মনিটরিংয়ে হাজির হয়ে বানিজ্যমন্ত্রী জানান মাস জুড়েই তদারকি অব্যাহত থাকবে। এসময় মুনাফালোভীদের দৌরাত্ম্য কমাতে তদারকি ব্যবস্থায় জোর দেয়া হয়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘ভোররাতে ট্রাকে মনিটরিং বাড়ানো হবে। ট্রাকে মনিটরিং বাড়ালেও দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। কারণ, ট্রাক থেকে ভোররাতে মাল নামানোর সময়ই এর সঙ্গে জড়িত কিছু চক্র অনৈতিকভাবে অর্থ হাতিয়ে থাকে। এর প্রভাব পড়ে পণ্যের ওপর।’

নিত্যপণ্যের প্রতিটি দোকানে বাধ্যতামূলক মূল্য তালিকা টাঙানোর নির্দেশনা দিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বাজারে এলে দাম কমিয়ে দেন আর চলে গেলে আবার বাড়িয়ে দেন এগুলো চলবে না। প্রত্যেকটা দোকানে দামের লিষ্ট থাকতে হবে। আজকে কয়েকটা দোকানে দামের লিষ্ট পেলেও অধিকাংশ দোকানে পাইনি। এরপর থেকে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। দামের লিষ্ট যে দোকানে না পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমি ভোক্তা অধিকারকে এ বিষয়ে কঠোর হতে বলে যাব।’

Loading