২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৩:৩৬
শিরোনাম:

পুলিশ হেফাজতে রবিউল হত্যা, বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি জিএম কাদেরের

পুলিশ হেফাজতে রবিউলের হত্যার ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টা। প্রশাসন বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে। আতঙ্ক কাটেনি রবিউলের পরিবারের। মামলা করতে পুলিশের বাধা। হত্যা মামলা করলে পাল্টা মামলা করবে পুলিশ। পুলিশ আহত, গাড়ি ভাঙচুর মামলা প্রস্তুত পুলিশের। রবিউলের পরিবার ও গ্রামবাসীর নামে। আতঙ্কিত গ্রামবাসী।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

শনিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে লালমনিরহাট কাজীর চওড়ায় নিহত রবিউলের বাড়িতে গিয়ে প্রশাসনের এ কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, রবিউল হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে। পুলিশ বাহিনী কাউকে হত্যা করবে, আর তার বিচার হবে না তা হবে না। পুলিশ তিন সদস্যের তদন্তকমিটি করলেও সেই কমিটির প্রতি ভরসা নেই। পুলিশ কখনো পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দিবে না। এ জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান।

তিনি আরও জানান, পুলিশকে জনগণের কাছে থাকতে হবে হত্যা না। যারা মানুষের জানমাল রক্ষা করবে, তাদের প্রতি যদি জনগণের আশ্বাস না থাকে এ টা আমাদের জন্য দুভার্গ। তদন্ত যেন নিরপেক্ষ থাকে। পুলিশের উপর মহলে বিষয়টা জানো হয়েছে। তিনি পরিবারের জন্য ৫ হাজার টাকা প্রতি মাসে দিবেন বলে আশ্বাস দেন। রবিউল মৃত্যুর বিষয়টা গুরুত্ব সঙ্গে দেখানো হচ্ছে

জিএম কাদের আরও বলেন, পুলিশের আইজিপি তাকে জানিয়েছেন রবিউল মৃত্যুর বিষয়ে মামলা হবে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আসলেই কার্যক্রম হবে। রবিউলের স্ত্রীকে চাকরি দেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি করেন।

রবিউলের বাবা দুলাল খান জানান, ছেলে হত্যার ঘটনায় মামলা না করতে পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের হুমকি রয়েছে। তবে তিনি মামলা করতে রাজী।

লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহা আলম জানান, রবিউল হত্যায় কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। অপরদিকে জুয়া খেলার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।

পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা জানান, তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে বিষয়টি জানা যাবে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে বৈশাখী মেলায় খেলনা কিনে আনার সময় পুলিশ আটক করে রবিউলকে। এরপর পুলিশ হেফাজতে তার মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় এসআই হালিম ক্লোজ রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

Loading