মো: বাকিরুল ইসলাম (জামালপুর প্রতিনিধি) জামালপুরে ইসলামপুর উপজেলা চরপুটিমারি সাজেলের চর ১০ রানী নদী মধ্যে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এর ফলে বসতবাড়ি, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা ধসে যাচ্ছে এবং হুমকির মুখে পড়ছে পরিবেশ। স্থানীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এসব ড্রেজার দিয়ে গ্রামাঞ্চলের খাল, বিল ও পুকুর থেকে যত্রতত্র ভূগর্ভস্থ বালু উত্তোলন করায় আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী। বছরের পর বছর ধরে ড্রেজার মালিকরা এ অবৈধ কাজটি করলেও প্রশাসনের কোনো ভূমিকা নেই।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!জানা গেছে, ড্রেজার দিয়ে উত্তোলনকৃত বালুর বেশিরভাগই স্থানীয় ঘর বাড়ি দোকান পাঠ নির্মাণ কাজে ব্যবহার করে।এলাকাবাসী বিভিন্ন সময় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টি জানালেও তা কোনো কাজে আসছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এভাবে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের কাজ চলমান রয়েছে। অবৈধ মেশিনগুলোর মালিকরা ঘুরে ঘুরে গ্রামের নদীর মধ্যে থেকে বালু উত্তোলন করছে। সাজেলের চর ব্রিজে
দক্ষিণ পাশে ১০ রানী নদীর মাঝে অবৈধ দুইটি ড্রেজার বসিয়েছে নূরনবী ও সরল নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি। নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে হুমকিতে পড়েছে ঘরবাড়ি ও ফসল জমি।
সাজেলের চর এলাকাবাসী বলেন, ইতিমধ্যে ইসলামপুর নির্বাহী অফিসার মুঃ তানভীর হাসান রুমান ও সহকারি ভূমি কমিশনার রোকনুজ্জামান স্যারের কাছে আমরা এলাকাবাসী গণস্বাক্ষর দিয়ে অভিযোগ করেছি, তাও কোন উপজেলা প্রশাসন থেকে অবৈধ ড্রেজার মেশিন সরানো পদক্ষেপ নেয়নি, অবৈধ ড্রেজার মেশিন মালিকরা আমাদের বলেন, আমরা প্রশাসনকে জানিয়ে ভালু উত্তোলন করছি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ১৫-২০টি ড্রেজার রয়েছে। ডাক পড়লেই মেশিনপত্র নিয়ে গ্রামের আনাচে কানাছে ছুঁটে যাচ্ছে ড্রেজার মালিক-শ্রমিকরা।
ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুঃ তানভীর হাসান রুমান জানান, সাজেলের চর ড্রেজার মেশিন ব্যাপারে আমি এসিল্যান্ড কে বলেছি, খোঁজ নিয়ে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
![]()