২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:৫৭
শিরোনাম:

নিউমার্কেট সংঘর্ষ: বিএনপির ১৪ নেতাকর্মীর আগাম জামিন

রাজধানীর নিউমার্কেটে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সঙ্গে ব্যবসায়ী সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগের মামলায় বিএনপির ১৪ নেতাকর্মীকে আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. সেলিমের বেঞ্চ তাদের ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন দেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এ সময়ের মধ্যে তাদের আত্মসমর্পণ করতে হবে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

অভিযুক্ত ১৪ নেতাকর্মী হলেন, আমীর হোসেন আলমগীর, মিজান, হাসান জাহাঙ্গীর মিঠু, হারুন হাওলাদার, শাহ আলম সন্টু, শহীদুল ইসলাম শহীদ, জাপানি ফারুক, মিজান ব্যাপারী, আসিফ, রহমত, বিল্লাল, মনির, জুলহাস ও বাবুল।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধাদানের মামলার এজাহারে আসামিদের বেশিরভাগই বিএনপি নেতা-কর্মী। এমনকি এ মামলায় মৃত ও সাত বছর ধরে দেশের বাইরে আছেন এমন বিএনপি নেতাকর্মীরাও আছেন।

এজাহারে ২৩ নম্বর আসামি মিন্টু যিনি দুই বছর আগেই মারা গিয়েছেন। মামলাটির চার নম্বর আসামি টিপু সাত বছর ধরে ইউকেতে বসবাস করছেন।

এ মামলায় মঙ্গলবার, নিউমার্কেট থানা যুবদলের সভাপতি আমির হোসেনসহ ১৪ জনকে আগাম জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। এ সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে হবে তাদের।

এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করছেন মানবাধিকার কর্মীরা। মানবাধিকার কর্মী জেড আই খান পান্না বলেছেন, এর ফলে মূল বিচার ব্যাহত হবে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হবে বলে মনে করছেন তিনি।

এরই মধ্যে এ মামলায় বিএনপি নেতা মকবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। এছাড়া আরো দুটি হত্যা মামলা হয়েছে সংঘর্ষের ঘটনায়। এর আগে ২২ এপ্রিল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে মকবুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে গত ১৮ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সংঘর্ষ হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও ১৯ এপ্রিল সকাল ১০টার পর থেকে ফের দফায় দফায় শুরু হয় সংঘর্ষ, যা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত।

এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হন। সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত দুজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাদের একজন ডেলিভারিম্যান, অন্যজন দোকান কর্মচারী।

Loading