২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১:৫৬
শিরোনাম:

প্রেমিকের সঙ্গে দেখে ফেলায় মেয়েকে হত্যা করেন মা

বরিশালের কাউনিয়া থানার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের ছোট রাজাপুর গ্রামে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে পঞ্চম শ্রেণিপড়ুয়া মেয়েকে হত্যার অভিযোগে মা লিপি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

শনিবার (৪ জুন) দুপুরে কাউনিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর মুকুল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একই দিন সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে পলাতক রয়েছে প্রেমিক ও সহযোগিতাকারী ইউপি মেম্বার।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি ছোট রাজাপুর গ্রামের মামলার বাদী জেলে সোহরাব হাওলাদারের স্ত্রী লিপি আক্তার। এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন, আটককৃত নারীর প্রেমিক একই ইউনিয়ন রামকাঠি গ্রামের বাসিন্দা নুরু খানের ছেলে কবির খান ও শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য ও পানবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা সোবাহান খানের ছেলে জসিমউদ্দিন খান।

জানা গেছে, ছোট রাজাপুর গ্রামের লিপি আক্তারের সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়ান কবির খান। গত ২৭ মে দুপুরে লিপি আক্তার তার পরকীয়া প্রেমিক কবির খানের সঙ্গে একান্তে মিলিত হোন। এ সময় তা দেখে ফেলেন লিপি আক্তারের মেয়ে তন্নি আক্তার (১৩)। এ ঘটনা তন্নি আক্তার তার বাবাকে বলে দেবে জানালে পরকীয়া প্রেমিক কবির ও জসিম নামে একজনের সহায়তায় গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে ঘরে তন্নির মরদেহ ঝুলিয়ে রাখেন। পরে লিপি আক্তার তার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করেন।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ও ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়াও এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুও মামলা করেছে শিশুটির বাবা। ব্যাপক তদন্তে ‍আসল ঘটনা বের হয়ে ‍এলে গ্রেপ্তার করা হয় লিপি আক্তারকে।

তিনি আরও জানান, হত্যার কাজে ব্যবহৃত সকল আলামত জব্দ করা হয়েছে। তবে পরকীয়া প্রেমিক কবির খান ঘটনার দিন থেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। খুব শিগগিরই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হবে।

Loading