সিরাজগঞ্জের বেলকুচির ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ও প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরকে পিটিয়েছেন পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আকতার হামিদ- এমন অভিযোগ উঠেছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সোমবার (৬ জুন) রাতে পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি আকতার হামিদসহ ৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভূঁইয়া।
এর আগে, রোববার (৫ জুন) বিকেলে বেলকুচি পৌর এলাকার জীধুরিস্থ মাজেম মিয়ার ঢালু নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। আহত প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরকে সিরাজগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে, মারপিটের ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুন) দুপুরে মামলার বাদী চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম জানান, রোববার বিকেল ৫টার দিকে মোটরসাইকেলে প্যানেল চেয়ারম্যানকে সাথে নিয়ে যাচ্ছিলাম। আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে সেখানে ওৎ পেতে থাকা ছাত্রলীগের সভাপতি ও তার সহযোগীরা আমার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। তারা আমাদের লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকে। পেটানোর এক পর্যায়ে আমার কাছে থাকা গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের ১ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।
পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আমাকে উদ্ধার করে পাশের একটি দোকানে নিয়ে গেলেও প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরকে এলোপাথাড়িভাবে আঘাত করে। তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তার হামিদ বলেন, আমি এই হামলার সাথে জড়িত না। বরং ইউপি চেয়ারম্যানকে আমি হামলার হাত থেকে রক্ষা করে ওখানে থাকা একটি রডের দোকানে বসিয়ে রেখেছিলাম।
বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, চেয়ারম্যানের ওপর হামলার বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পঠিয়েছিলাম। রাতে থানায় এই সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি।
![]()