২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৩:১১
শিরোনাম:

আ’লীগের মিছিল-সমাবেশে জনদুর্ভোগ, ক্ষমা চাইলেন নেতারা

রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বুধবার (৮ জুন) দুপুরে তেজগাঁও সাতরাস্তা থেকে এ মিছিল শুরু হয়। হোটেল সোনারগাঁওয়ের সামনে দিয়ে রাসেল স্কয়ার হয়ে ধানমন্ডি ৩২-এ গিয়ে শেষ হয়। কর্মদিবসে মিছিল ও সমাবেশের কারণে রাজধানীতে দীর্ঘ যানজট ও ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। দুপুরে আশপাশের এলাকায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অবশ্য এজন্য ক্ষমাও চেয়েছেন আয়োজকরা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ। এ উপলক্ষে দুপুর দেড়টার পর থেকে তেজগাঁও সাতরাস্তা মোড় হয়ে হোটেল সোনারগাঁওয়ের সামনে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে জড়ো হতে শুরু করেন। সোনারগাঁও হোটেল সংলগ্ন প্রান্তে ট্রাকের অস্থায়ী মঞ্চে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।

তারা বলেন, শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিলে কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না। ইট মারলে পাটকেল খেতে হবে। এটি মনে রাখতে হবে। কেউ যদি আঘাত করে তাহলে পাল্টা আঘাতের জন্য আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রস্তুত রয়েছি।

বিএনপি-জামায়াতের উদ্দেশে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিলে কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না।’

বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশে নানক বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব ইট মারলে পাটকেলটি খেতে হবে। এটি মনে রাখতে হবে। কেউ যদি আঘাত করে তাহলে পাল্টা আঘাতের জন্য আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রস্তুত রয়েছি।’

দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম বলেন, ‘আজকের এ বিক্ষোভ সমাবেশে লাখ লাখ লোকের উপস্থিতি প্রমাণ করে আওয়ামী লীগ সব ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, এটাই আজকের দিনে আমাদের প্রত্যয়।’

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু জাদুঘর ভবনের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশের সমাপনী ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান। এসময় তিনি নেতাকর্মীদের সমাবেশ সফল করার জন্য ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে যানজটে ভোগান্তির কারণে ঢাকাবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

বজলুর রহমান বলেন, ‘রাজপথে জবাব দেওয়ার জন্য একটু রাস্তায় নেমেছি। আপনাদের একটু সময় নষ্ট হয়েছে। যানজটে কষ্ট হয়েছে। এজন্য আমরা করজোড়ে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচির সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম প্রমুখ।

Loading