২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৮:২২
শিরোনাম:

আশাশুনিতে থানা পুলিশর হাতে ঢাকা থেকে আলোচিত বিধবা  তাসলিমা ধর্ষন ও হত্যা মামলার আসামী গোলজার আটক

বি এম আলাউদ্দিন আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বড়দলের আলোচিত বিধবা তাসলিমা ধর্ষন ও হত্যা মামলার আসামী গোলজারকে ঢাকা থেকে আটক করেছে। এ ব্যাপারে এলাকা ঘুরে একাদিক ব্যেক্তি ও নিহতের শাশুড়ি সহ থানা মামলা সূত্রে জানাগেছে, উপজলার বড়দল ইউনিয়নের মধ্যম বড়দল গ্রামের মৃত লিয়াকত গাজীর স্ত্রী বিধবা তাসলিমা খাতুনের সাথে একই গ্রামের মাহাম্মাদ আলী গাজীর পুত্র নারী লাভী লম্পট ভাটা সরদার কামাল হোসেনের প্রেমের সম্পর্ক গোড়ে ওঠে।
এক পর্যায় বিয়ের প্রলোভন দখিয়ে অবৌধ ভাবে মেলা মেশা করার ফলে(একাধিক বার ধর্ষনর কারেন)
৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ঐ বিধবা নারী। ঘটনা জানাজানি হওয়ায় ধামা চাপা দিতে কি করা যায় এ পরিকল্পনা চক্রান্ত করতে থাকে ঘটনার মূল হোতা কামাল হোসেন সহ তার সহযোগীরা। পরিকল্পনা অনুযায়ী বিধবা তাসলিমা খাতুনকে তার নিজ বাড়ী হতে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সকলের চক্ষু আড়ালে রাতের আধারে খুলনাতে নিয়ে অবৌধ ভাবে গর্ভপাত ঘটাতে গিয়ে ঐ বিধবা তাসলিমার মর্মাতিক মত্যু হয়। এ ঘটনা কাউক কিছু না জানিয়ে পরের দিন নিহতের লাশ আনুলিয়ার একসরায় তার বাপের বাড়ির পথে রেখে কামাল হোসেন সহ তার সহযাগিরা খবর দিয় ঘটনাস্ল থেকে কেটে পড়ে। খবর পেয়ে বাবার বাড়ির লোকজন বড়দল শশুরবাড়ি আসার উদ্দশ্যে রওনা দেওয়ার প্রাক কালে পথে মেয়ের লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার চেচামেছি করা সহ কানাকাটি করতে থাকে।
এসময় গ্রামের লোকজন জড়ো হয়ে ঘটনাটি জানা বোঝার পর থানা পুলিশকে ফোন করে জানায়। খবর পেয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মাহাম্মাদ মমিনুল ইসলাম (পিপিএম) এর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করেন।
এব্যাপার মৃত বিধবা তাসলিমার পুত্র তাজবির আহম্মেদ (ইসমাইল) বাদী হয় মধ্যম বড়দল গ্রামের মাহাম্মাদ আলীর পুত্র কামাল হোসেন ও তার সহযাগী খালেক গাজীর পুত্র গোলজার, বাইনতলা গ্রামের জিয়াদ সানার পুত্র রমজান সানা ও মধ্যম বড়দল গ্রামের মৃত পরান গাজীর পুত্র মাহাম্মাদ আলী গাজীকে আসামী কর ধর্ষন ও হত্যা মামলা দায়ের করে।
আসামীদের গ্রেফতারে আশাশুনি থানা পুলিশ বিভিন এলাকায় অভিযান চালিয় যাছিল। আসামীরা দির্ঘদিন যাবৎ আত্মগোপনে থাকে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মাহাম্মাদ মমিনুল ইসলাম (পিপিএম) এর নেতৃত্বে এস আই মহিতুর রহমান (মহিত) সঙ্গীয় ফার্স নিয়ে ঢাকা সাভার থানা এলাকায় বেশ কয়েকদিন যাবৎ অবস্থান করছিলেন। একপর্যায়ে খবর আসে আসামীরা মহামান্য হাইকার্টে মামলায় জামিন দেওয়ার জন্য একত্রিত হচ্ছে। এমন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা সাভার থানা এলাকা থেকে পুলিশ অতিকষ্টে আর ত্যাগ তিথিক্ষার বিনিময় আলোচিত হত্যা মামলার ২ নং আসামী গোলজার গাজীকে আটক করে। এখবর বড়দল এলাকায় পৌঁছালে গ্রামের মানুষ আশাশুনি থানা পুলিশকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আসামীদের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।

Loading

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!