৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:২৯
শিরোনাম:

বিক্ষোভ-সংঘর্ষে উত্তাল ভারত, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি সভাপতি গ্রেফতার

ভারতের উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজ, পশ্চিমবাংলার হাওড়া, দিল্লি, মধ্যপ্রদেশের কিছু এলাকা, তেলেঙ্গানা, গুজরাট, বিহার, মহারাষ্ট্রে মহানবীকে (সা.) নিয়ে বিজেপি নেতাদের আপত্তিকর বক্তব্যে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে। কাশ্মীরের শ্রীনগরে ধর্মঘট পালিত হয়েছে। হাওড়াজুড়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ইন্টারনেট সেবা। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেনা মোতায়েনের দাবি তুলেছেন শুভেন্দু, সৌমিত্ররা। হাওড়ার উলুবেড়িয়া মহকুমায় জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। আগামী বুধবার পর্যন্ত তা জারি থাকবে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এহেন জটিল পরিস্থিতিতে পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা মুখোপাধ্যায় বলেছেন কিছু রাজনৈতিক দলের মদতেই হাওড়ায় হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছে। দাঙ্গার উদ্দেশ্যেই এই উসকানি। বিজেপির পাপের ভার আমরা নেব কেনো? এসব বরদাস্ত করা হবে না এবং এ সবের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা হবে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস/এনডিটিভি/ টাইমস অব ইন্ডিয়া

শনিবার টুইটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার্তা দিয়ে বলেন, ‘আগেও বলেছি, দুদিন ধরে হাওড়ার জনজীবন স্তব্ধ করে হিংসাত্মক ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। পাপ করল বিজেপি, কষ্ট করবে জনগণ?’

ভারতের বিভিন্ন স্থানে অব্যাহত বিক্ষোভ প্রতিবাদে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতার সংঘর্ষ ঘটে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া থেকে গাড়ি জ্বালানোর ঘটনাও ঘটে। নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে হাওড়ার পাঁচলায়। একটি ক্লাবে ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে।

শান্তি বজায় রাখতে আহবান জানিয়েছেন আলেমরা। কড়া পদক্ষেপের লক্ষ্যে হাওড়া কমিশনারেট ও গ্রামীণ অংশে একঝাঁক আইপিএস নিয়োগ করেছে প্রশাসন। প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী ছিলেন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার। হাওড়া কমিশনারেটের সিপি ছিলেন সি সুধাকর। হাওড়া সিটি পুলিশের সিপি হিসাবে পাঠানো হয়েছে প্রবীণকুমার ত্রিপাঠীকে। আর সুধাকরকে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার পদে পাঠানো হয়েছে। হাওড়া শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ পুলিশেও কমিশনার বদল করা হয়েছে। গ্রামীণে নতুন সিপি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হল স্বাতী ভাঙ্গালিয়াকে।

এদিকে ডোমজুড় যাওয়ার পথে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিদ্যাসাগর সেতুর টোল প্লাজার কাছে গ্রেফতার করা হয় তাকে। হাওড়া যেতে দেওয়া হবে না বলে আগেই সুকান্ত মজুমদারকে জানিয়েছিল পুলিশ। এর পরেও তিনি জোর করেই হাওড়ার পথে রওনা দেন। রাচিতে বিক্ষুব্ধ জনতার সংঘর্ষের সময় পুলিশের গুলিতে ২ জন নিহত হয়। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতা ভাংচুর করে ও বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

Loading