ঢাকার আশুলিয়ায় হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে পিটিয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি আশরাফুল আহসান জিতু নিজের প্রেমিক নয়, ভাতিজা হয় বলে দাবি করেছেন তার কথিত প্রেমিকা। একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন দাবি জানান তিনি।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!ওই তরুণী বলেন, জিতুর বাবা আমার ভাইয়ের মতো। আমার ভাইয়ের সঙ্গে ওর বাবার খুব ভালো বন্ধুত্ব। সেজন্য জিতু আমার ভাতিজা হয়, আমাকে আন্টি বলে ডাকে। প্রায় সময়ই জিতু আমার থেকে বই নিতো, স্কুলে আমাদের কথা হতো, আমাকে সে আন্টি বলে ডাকতো। এখন এলাকার মানুষ অনেক কথাই বলছে, অভিযোগ দিচ্ছে যা সত্যি নয়।
জিতুর সম্পর্কে তার কথিত এই প্রেমিকা জানান, জিতুকে নিয়ে এখন অনেক কথাই শুনছি। তবে আমি ওর খারাপ কিছু কখনো দেখি নাই। ও কখনো আমাকে ডিস্টার্ব করে নাই। এছাড়াও কিশোর গ্যাং চালায় বা বাইক নিয়ে টহল দিতো এসবও শুনি নাই।
নিজেকে নির্দোষ দাবি করে শিক্ষককে হত্যার জন্য জিতুর শাস্তি হওয়া উচিত বলেও মনে করেন এই কলেজছাত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষককে হত্যা করে জিতু কাজটা ঠিক করে নাই, ওর শাস্তি হওয়া উচিত। তবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আমি জড়িত নই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জিতু যদি স্বীকার করে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আমিও জড়িত, তাহলে আইনানুযায়ী যে শাস্তি হবে তা আমি মেনে নিবো।
এদিকে স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে শিক্ষক মারার ঘটনায় ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন প্রধান আসামি আশরাফুল ইসলাম জিতু। এ ঘটনায় আশুলিয়ার হাজী ইউনুছ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মূল অভিযুক্তকে আজীবন বহিষ্কার করলেও তার প্রেমিকাকে সাময়িক বহিষ্কার করে কর্তৃপক্ষ। তার প্রেমিকা একই প্রতিষ্ঠানের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
এ বিষয়ে অধ্যক্ষ বলেন, একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুসারে জিতুকে শুক্রবার স্কুল থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। আর যাকে নিয়ে ঘটনা ওই ছাত্রীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। যদি পরবর্তীতে প্রমাণিত হয় ওই মেয়ে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাহলে তাকেও স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে।
![]()