৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:৩২
শিরোনাম:

‘সরকার পতনের সাইরেন নয়, বিএনপির বিদায় ঘণ্টা বাজছে’

শনিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর যৌথভাবে আয়োজিত আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি বলে আমাদের পতনের নাকি সাইরেন বাজে? কোথা থেকে শুনলেন, সাইরেনটা কোথায় শুনলেন? রাস্তায় যখন গাড়ি চলে এ সাইরেন শুনেছেন? সাইরেন শুনতে পাবেন আপনাদের বিদায় ঘণ্টার, নেতিবাচক রাজনীতি আপনাদেরকে অপ্রাসঙ্গিক করে ফেলেছে। আপনাদেরই বিদায়ের ঘণ্টা বাজছে। আওয়ামী লীগের বিদায় ঘণ্টা নয়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তিনি বলেন, খেলা হবে, খেলা হবে, রাজনীতির মাঠে খেলা হবে। নির্বাচনের মাঠে খেলা হবে। আসুন; খেলায় আসুন। নির্বাচন আর রাজনীতির মাঠে আসুন। আগুন নিয়ে খেলবেন না। আওয়ামী লীগ জনগণকে নিয়ে সে আগুনের খেলা প্রতিরোধ করবে।

নেতাকর্মীদের সেই প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা, নেত্রীর কারাবন্দী দিবসে এখানে সমবেত হয়েছেন। সেদিন যদি এদেশের রাজনীতিকদের একটা অংশ ওই জরুরি সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা না করত বাংলাদেশে ওয়ান ইলেভেন টিকতে পারত না। এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কঠিন ছিল। রাজনীতিকরাই অনেক রাজনীতিক সেদিনকার সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাথে যোগসাজেশ করে রাজনীতিকে মাইনাস ফর্মুলায় নিয়ে গিয়েছিল।

কারও নাম উল্লেখ না করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে আমি বলব, আমাদের শত্রু মিত্র চিনতে হবে। চলার পথে শত্রু মিত্র চিনতে হবে। একটা কথা আছে, একবার যে বিশ্বাসঘাতক সে বারে বারে বিশ্বাসঘাতক। আওয়ামী লীগের কর্মীরা হুঁশিয়ার থাকতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে।’

বঙ্গবন্ধু কন্যার আজকে কত বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে কঠিন সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, সারাবিশ্বে যুদ্ধের প্রতিক্রিয়া। সারাবিশ্বে এই প্রতিক্রিয়ায় আজকে জ্বালানি ফুয়েলের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি ইনফ্লুয়েশন অবাক লাগে, শ্রীলংকার কথা বাদ দিলাম। আজকে ইংল্যান্ড আমেরিকায় ৯ দশমিক ১ ইনফ্লুয়েশন। সর্বত্রই জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। বাংলাদেশকে এ বাস্তবতার কঠিন সময়ে আজকে অগ্রসর হতে হচ্ছে।’

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সারারাত জেগে থাকেন, বাংলাদেশের মানুষ যাতে ঘুমাতে পারে। তিনি জেগে আছেন, আমরা যাতে ঘুমাতে পারি, এ দেশের মানুষ যেন ঘুমাতে পারি। এই পর্যন্ত পরিস্থিতি তিনি সামাল দিয়ে যাচ্ছেন। এই পর্যন্ত করোনা, বন্যা অতিক্রম করে যুদ্ধের ইমপ্যাক্ট সেটিও তিনি মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। শক্ত করে হাল ধরে আছেন।

Loading