৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:০৭
শিরোনাম:

‘বাংলাদেশে গোলাবারুদ আনছিল’ গ্রিসে বিধ্বস্ত কার্গো প্লেন

গ্রিসের কাভালার কাছে বিধ্বস্ত কার্গো বিমানটি ১১ টন গোলাবারুদ নিয়ে বাংলাদেশে আসছিল। আজ রোববার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে গতকাল শনিবার সার্বিয়া থেকে জর্ডানে যাওয়ার সময় ইউক্রেনের একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত অ্যান্তনভ-১২ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সার্বিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী নেবোজসা স্টেফানোভিচ বলেছেন, অ্যান্তনভ-১২ বিমানটি প্রায় ১১ টন অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিয়ে বাংলাদেশে যাচ্ছিল। বিধ্বস্ত হওয়ার পর বিমানের আট আরোহীর সবাই মারা গেছেন। তিনি জানান, জর্ডান, সৌদি আরব ও ভারত হয়ে বিমানটির ঢাকায় পৌঁছানোর কথা ছিল। বিমানের ক্রুদের প্রত্যেকেই ইউক্রেনের।

জানা গেছে, ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় পাইলট কাভালা বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু রানওয়েতে পৌঁছানোর আগেই সেটি বিধ্বস্ত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মাটিতে পড়ে যাওয়ার পর বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। একপর্যায়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘রাত পৌনে ১১টার দিকে বিকট শব্দ শুনে বাইরে এসে দেখি বিমানটি আগুনে পুড়ছে। পরপর কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।’

স্থানীয় একজন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে সাতটি অগ্নিনির্বাপক গাড়ি দুর্ঘটনাস্থলে নেওয়া হয়। তবে বিস্ফোরণের কারণে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে গাড়িগুলোর বেগ পেতে হয়। তবে বিমানটি যে এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে, তার দুই কিলোমিটারের মধ্যে থাকা বাসিন্দাদের সতর্ক করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সবাইকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে।

গ্রিসের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, স্থানটি নিরাপদ মনে না হওয়া পর্যন্ত ওই এলাকা পরিদর্শনে যাবে না দেশটির সেনাবাহিনী, বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল এবং পরমাণু শক্তি কমিশন।

সার্বিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী নেবোজসা স্টেফানোভিচ বলেন, দুর্ভাগ্যবশত কিছু সংবাদমাধ্যম অনুমান করেছে, বিমানটি ইউক্রেনের উদ্দেশে অস্ত্র বহন করছিল। কিন্তু এ তথ্য সম্পূর্ণ অসত্য।

Loading