২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:৪২
শিরোনাম:

রামুতে শাশুড়িকে হত্যার পর ৬ টুকরো করলেন পুত্রবধূ!

কক্সবাজার: কক্সবাজারের রামু উপজেলায় ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে ৭০ বছরের বৃদ্ধা শাশুড়িকে হত্যা করেছে পুত্রবধূ। হত্যার পর মরদেহ ছয় টুকরো করে মাটিচাপা দেওয়া হয়।গত শুক্রবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের উমখালী হাজিরপাড়া এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

শাশুড়ির নাম মমতাজ বেগম (৬০)। ঘটনার দুদিন পর রোববার (১৭ জুলাই) সকালে বাড়ির আঙিনা থেকে নিহতের খণ্ড খণ্ড মরদেহ উদ্ধার ও অভিযুক্ত পুত্রবধূ রাশেদা বেগমকে (২৫) আটক করে পুলিশ।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, রোববার সকালে নিহতের ছেলে বাড়ির পাশে টিউবওয়েলে গেলে পাশে নতুন খোঁড়া মাটি দেখতে পায়। পরে মাটি খুঁড়ে তার মায়ের শাড়ি দেখে স্থানীয়দের জানায়।

পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে রামু থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটিচাপা অবস্থায় নিহত মমতাজ বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে।

অভিযুক্ত রাশেদা বেগম জানান, শনিবার (১৬ জুলাই) সকালে তার শাশুড়ি তাকে দা নিয়ে কোপাতে আসেন। এতে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এক পর্যায়ে ওই ধারালো দা দিয়ে শাশুড়ির গলায় কোপ দেন তিনি। পরে মৃত্যু হলে মরদেহ ছয় টুকরো করে বস্তায় ভরে বাড়ির উঠানে মাটিচাপা দেন।

স্থানীয় বাসিন্দা সাহাব উদ্দিন বলেন, নিহত সমতাজ বেগমকে কেটে ছয় টুকরো করা হয়েছে। শরীর থেকে মাথা, হাত-পা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। পরে বস্তাবন্দি করে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। তবে তার ধারণা, একা একটা মেয়ের পক্ষে একজন মানুষকে ছয় টুকরো করে মাটিচাপা দেওয়া সম্ভব নয়।

নিহতের ছেলে আলমগীর বলেন, সকালে টিউবওয়েলে গেলে পাশে নতুন মাটি দেখতে পাই। এতে সন্দেহ হলে মাটি খুঁড়লে মায়ের শাড়ি বের হয়ে আসে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের জানানো হলে তারা পুলিশে খবর দেয়।

তিনি বলেন, আমার মায়ের সঙ্গে ঝগড়া ছিল ঠিক কিন্তু এভাবে হত্যা করবে এটা বিশ্বাস করতে পারিনি।

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অরূপ কুমার চৌধুরী বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণ করা হচ্ছে। হত্যাকারী রাশেদা বেগমকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Loading