২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৪:৫৮
শিরোনাম:

মানুষ আর বক্তব্য শুনতে চায় না, চায় অ্যাকশন: গয়েশ্বর

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘চাপে হোক আর স্বেচ্ছায় হোক, প্রচারযন্ত্র শেখ হাসিনা সরকারের এত প্রচারের পরও তার (সরকারের) উলঙ্গ চেহারা দেশের জনগনের কাছে সুস্পষ্ট। মানুষের ধৈর্যের বাধ ভেঙে গেছে।’

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

গয়েশ্বর বলেন, ‘আমাদের বক্তব্য মানুষ বোধ হয় আর শুনতে চায় না। সবাই চায় অ্যাকশন। যে অ্যাকশন করলে সরকারের বিদায় হবে, সব পর্যায়ের জনগণ রাজপথে নামবে। আগের কথায় ফিরে যাই- অ্যাকশন অ্যাকশন… ডাইরেক্ট অ্যাকশন। তাড়াও হাসিনা, বাঁচাও বাঁচাও দেশ; টেক ব্যাক বাংলাদেশ। এখন প্রস্তুতি নিন।’

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে’ আয়োজিত এক সমাবেশে এসব কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘যেদিন দেশের উদ্দেশ্যে আমাদের নেতা তারেক রহমান যুক্তরাজ্যের হিথ্রো বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন অতিক্রম করবেন, সেদিন দেশে আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মীকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। কোনো সন্দেহ নেই, সেদিন তারেক রহমানের আসার খবরে ঢাকায় জনতার ঢল নামবে।’

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা (নেতাকর্মী) যতই প্রতিবাদ করেন, খালেদা জিয়া, তারেক রহমান আমার আপনার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেতাদের কটূক্তি থামানো যাবে না। একটি মাত্র কাজ করলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সব থামবে তা হচ্ছে তাদের অবৈধ ক্ষমতা থেকে নামাতে হবে। এই অবস্থার থেকে পরিত্রাণের একটাই পথ শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে নামানো।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, ভোটের দিন যদি কেউ তলোয়ার নিয়ে আসে তাহলে পাল্টা রাইফেল নিয়ে নামবেন। আমরা যদি তলোয়ার আর রাইফেলই হাতে নেই, তাহলে আবার নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করব কেন, তার আগেই তো আপনাদেরকে বিদায় করতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘একটি সাংবিধানিক পদে থেকে সস্ত্রাসকে উস্কানি দেওয়া, জনগনকে আতঙ্ক দেওয়া ভোটকেন্দ্র শূন্য রাখার একটি প্রয়াস মাত্র। এটা মনে করবেন না যে, না বুইঝা তিনি কথা বলেছেন, বুঝেই তিনি বলেছেন। আজকে আমাদের মূল দায়িত্বটা হলো এই সরকারকে বিদায় করা। রাজপথেই আমাদেরকে এর ফয়সালা করতে হবে। তাহলেই এসব পাগলামি দূর হবে।’

স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি এস এম জিলানীর সভাপতিত্বে ও উত্তরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিনের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, ফজলুল হক মিলন, সরাফত আলী সপু, বিএনপির মহানগরের ইশরাক হোসেন, যুবদলের শফিকুল ইসলাম মিল্টন, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোস্তাফিজুর রহমান, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, গোলাস সরোয়ার, শাহাবুদ্দিন মুন্না, ইয়াসীন আলী, রজাওয়ানুল হক রিয়াজ, নজরুল ইসলাম।

Loading