৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:৫৯
শিরোনাম:

‘নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সংকট নেই, সংকট আছে বিএনপির নেতৃত্বে ও সিদ্ধান্তে’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে দেশে কোনো সংকট নেই, সংকট আছে বিএনপিতে এবং তাদের নেতৃত্বে ও সিদ্ধান্তে। রোববার সকালে রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ীতে তিনি একথা বলেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তিনি বলেন, আসলে বিএনপি নেতারা কি চায় তা তারা নিজেরাও জানে না। নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে, সরকারের অধীনে নয়, সরকার শুধু রুটিন দায়িত্ব পালন করবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। নির্বাচনকালে স্বাধীন ও কর্তৃত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে কথা বলছেন সেটা একটা মীমাংসিত বিষয়, সুতরাং এ নিয়ে নতুন করে আলোচনার কোন সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দেন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়েই এই দল গড়ে উঠেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ ভালো করেই জানে কিভাবে আন্দোলন মোকাবিলা করতে হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজপথ কাউকে ইজারা দেয়া হয়নি, আওয়ামী লীগ রাজপথে ছিলো, আছে এবং থাকবে। বিএনপির শান্তিপূর্ণ যে কোন কর্মসূচিকে স্বাগত জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, কিন্তু আন্দোলনের নামে সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে জনগণের জানমাল রক্ষায় জনগণকে সাথে নিয়ে সমুচিত জবাব দিতে আওয়ামী লীগ প্রস্তুত। আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে- বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যে দেশের জনগণ হাসে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, যে দল তাদের নেত্রীর মুক্তির জন্য রাজপথে একটা মিছিল পর্যন্ত করতে পারে না তারা আবার আন্দোলন করে সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করবে- এমনটা জনগণ বিশ্বাস করে না।

তিনি আরও বলেন, সরকার নয়, আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থতার দায়ে বিএনপি নেতাদের টপ টু বটম দল থেকে পদত্যাগ করা উচিত। রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ ও নির্বাচন কমিশনের ডাকে সংলাপে না গিয়ে বিএনপি এবং তার দোসররা এখন নিজেদের মধ্যে সংলাপ করছেন, এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের তাঁর বক্তব্যে বলেন, এটা আসলে সংলাপ নয়, সংলাপের নামে ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি।

Loading