২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:১৩
শিরোনাম:

‘পচা পেঁয়াজ’ বিক্রি করছে টিসিবি

রাজশাহীতে ফ্যামিলি কার্ডধারী গ্রাহকদেরকে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সঙ্গে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পচা পেঁয়াজ দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার রাজশাহী মহানগরীর ১০টি ওয়ার্ডে টিসিবির অন্যান্য পণ্যের সঙ্গে এসব পচা পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছেন ডিলাররা। এ নিয়ে গ্রাহকদের মাঝে বিরাজ করছে চরম অসন্তোষ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা গেছে, একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ এক কেজি চিনি, দুই কেজি করে তেল, মসুর ডাল ও পেঁয়াজ কিনতে পারছেন। প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা, তেল ১১০ টাকা, ডাল ৬৫ টাকা ও পেঁয়াজ ২০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই বাজারে স্বল্পমূল্যে টিসিবির পণ্য পেয়ে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন উপকারভোগীরা। তবে পেঁয়াজের অবস্থা ভালো না হওয়ায় তা নিয়ে অসন্তুষ্টি দেখা গেছে ক্রেতাদের মধ্যে।

অনেক গ্রাহকই টিসিবির দেওয়া পচা পেঁয়াজ নিতে চাইছেন না। যদি পেঁয়াজ ছাড়া পণ্য দেওয়া হয় তাহলে তারা লাভবান হতেন বলে জানাচ্ছেন। তবে ডিলাররা বলছেন, একটি পণ্য বাদ রেখে অন্য পণ্যগুলো দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাই বাধ্য হয়েই ক্রেতাদের পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে। অনেকেই সে পেঁয়াজ বাধ্য হয়ে কিনে তা আবার ফেলেও দিচ্ছেন।

টিসিবির পণ্য কিনতে আসা নগরীর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দাসপুকুর এলাকার বাসিন্দা মোসা. হাসিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘২০ টাকা কেজি দরে টিসিবির নিকট থেকে পচা পেঁয়াজ কিনলাম। তবে এই পেঁয়াজ কোনোভাবেই খাওয়ার উপযোগী না। বাধ্য হয়ে অন্য পণ্যের সঙ্গে পেঁয়াজ কিনে রাস্তায় ফেলে দিয়ে বাড়িতে আসলাম।’

টিসিবি রাজশাহী কার্যালয় প্রধান শাহিদুল ইসলাম বলেন, ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্ন আয়ের মানুষদের মধ্যে টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম চালু ছিল। সেই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এবারও রাজশাহী মহানগর ও জেলা মিলে প্রায় সোয়া ২ লাখ পরিবার এই সুবিধা পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে এসব পণ্য রাজশাহী মহানগরের ৩০টি ওয়ার্ড এবং জেলার নয়টি উপজেলা এলাকায় বিতরণ করা হবে।

পচা পেঁয়াজ দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে টিসিবির এ কর্মকর্তা বলেন, মহানগরেই শুধু পেঁয়াজ সংযোজন করা হয়েছে। উপজেলাগুলোতে পেঁয়াজ দেওয়া হচ্ছে না। পেঁয়াজ কাঁচামাল হওয়ায় কিছু অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Loading