কান্নায় ভেঙ্গে পড়া শিক্ষার্থী
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!কুড়িগ্রামে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে দিনাজপুর বোর্ডের গণিত, কৃষিবিজ্ঞান, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলাম সাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করেছে উত্তরের জেলার শিক্ষার্থীরা। এ খবর শুনেই কান্নায় ভেঙে পড়েছে অনেক শিক্ষার্থী। জাগো নিউজ
সাজ্জাদুল ইসলাম নামক এক পরীক্ষার্থীর বাবা জানান, আমার মেয়ে সাজিদা ইসলাম এবার মহারাজা গিরিজানাথ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। সকালে অনলাইন মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টিভির পর্দায় দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চলমান এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার খবর দেখে কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছে। তাকে কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না।
স্থানীয় সাংবাদিক তিতাস আলম বলেন, সকালে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার খবর শুনে কান্নাকাটি শুরু করে লালমনিরহাট কালিগঞ্জ উপজেলার সুন্দ্রাহবি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার। দিনাজপুর সেন্ট ফিলিপস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে এলিন ও মৌমিতা। তারা সম্পর্কে চাচাতো বোন। সকালে তাদের দুজনকেও কান্না করতে করতে পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ার বিষয়ে কথা বলতে দেখা গেছে।
কুড়িগ্রাম বর্ডার গার্ড স্কুলের শিক্ষার্থী আলিফ ইসলাম বকসী। সে কুড়িগ্রামের আবুল কালাম আজাদ ঠান্ডার ছেলে। সে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। সকালে টিভির স্ক্রলে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার খবর দেখে চোখের পানি মুছতে মুছতে হতাশার সুরে তার বাবাকে বলে, করোনা খাইছে দুই বছর, বন্যা খাইছে এক মাস। দেখা যাক এবার প্রশ্নফাঁস কতদিন খায়।
কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিচ্ছে শুদ্ধ শারাফ। সে কান্না করতে করতে বলে, প্রশ্নফাঁসের মতো জঘন্য ঘটনায় আমাদেরকে সাফার করতে হবে, এটা মানি কেমন করে? রিপোর্ট: আলামিন শিবলী
![]()