ঢাকাসহ দেশের অর্ধেক এলাকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ঘটনায় পিজিসিবির দুই প্রকৌশলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পিজিসিবির উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আল্লামা হাসান বখতিয়ার (বামে) ও সহকারী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান (ডানে) পিজিসিবির উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আল্লামা হাসান বখতিয়ার (বামে) ও সহকারী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রোববার (১৬ অক্টোবর) পিজিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সাময়িক বরখাস্ত দুই কর্মকর্তা হলেন: পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) সিস্টেম প্রোটেকশন অ্যান্ড মিটারিং ডিভিশনের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আল্লামা হাসান বখতিয়ার এবং সহকারী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
এরআগে রোববার সকালে ব্ল্যাকআউটের ঘটনায় পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (পিজিসিবি) দায়িত্বশীল দুই কর্মকর্তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তাদের সাময়িক বহিষ্কারের বিষয়টি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, একইসঙ্গে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই বিতরণ কোম্পানির দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনা হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পিজিসিবির দুই কর্মকর্তার মধ্যে একজন সহকারী প্রকৌশলী এবং অপরজন উপসহকারী প্রকৌশলী।
এর আগে, শনিবার (১৫ অক্টোবর) সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের পেছনে ম্যানেজমেন্টের ব্যর্থতাই দায়ী। আর সুনির্দিষ্টভাবে দায়ীদের চাকরিচ্যুত করা হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) ও জাতীয় লোড ডেসপাস সেন্টারের (এনএলডিসি) সমন্বয়ের অভাবে জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয় ঘটেছে।
গত ৪ অক্টোবর বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্ল্যাকআউটের ঘটনা ঘটে।দুপুর ২টা ৪ মিনিটে বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে শুরুতে অনেকেই ভেবেছিলেন সাধারণ লোডশেডিং। কিন্তু সময় গড়ানোর পর জানা যায়, বড় রকমের ব্ল্যাকআউটের মুখে পড়েছে বাংলাদেশের অর্ধেক অঞ্চল।
টানা ৬-৭ ঘণ্টা অন্ধকারে ছিল ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ ও এর আশপাশের এলাকার কয়েক কোটি মানুষ। এর আগে ২০১৪ সালের নভেম্বরে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার ব্ল্যাকআউট হয়।
![]()