৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:৫৫
শিরোনাম:

নামিবিয়ার হারে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস

জিতলেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে চলে যেতো নামিবিয়া। কিন্তু তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হতে দিলো না আরব আমিরাত। নিজেরা তো ডুবলোই, ডোবাল প্রতিপক্ষকেও। নামিবিয়ার বিপক্ষে আরব আমিরাতের রোমাঞ্চকর জয়ে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ঠিক হয়ে গেছে নেদারল্যান্ডস।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) ভিক্টোরিয়ায় নামিবিয়াকে ৭ উইকেটে হারায় আরব আমিরাত। এ জয়ে সুপার টুয়েলভের টিকিট পেয়েছে নেদারল্যান্ডস। এর আগে দলটির বিপক্ষে জয়লাভ করে আগেই পরবর্তী পর্ব নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কা। চার পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় দলটি। সমান পয়েন্ট নিয়ে নেট রানরেটে পিছিয়ে থাকায় ‘এ’ গ্রুপে দ্বিতীয় হয় নেদারল্যান্ডস।

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া শ্রীলঙ্কা সুপার টুয়েলভের এক নম্বর গ্রুপে জায়গা করে নিয়েছে। রানার্সআপ হওয়া নেদারল্যান্ড দুই নম্বর গ্রুপে মোকাবেলা করতে হবে বাংলাদেশ, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও পাকিস্তানকে।

এদিন নামিবিয়ার সামনে লক্ষ্য ছিলো ১৪৯ রানের। খুব কঠিন নয় নিশ্চয়ই। তবে আরব আমিরাতের বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি নামিবিয়ার স্বীকৃত ব্যাটাররা। ৬৯ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে ম্যাচ থেকে প্রায় ছিটকে পড়ে দলটি। কিন্তু এরপর অসাধ্য সাধনের চেষ্টা করেন অলরাউন্ডার ডেভিড ওয়াইজ। সাত নম্বরে নেমে ৩১ বলে তুলে নেন ফিফটি। শেষ ওভার পর্যন্ত লড়াই জমিয়ে রেখেছিলেন তিনিই।

রুবেন ট্রাম্পেলম্যানের সঙ্গে অষ্টম উইকেটে ওয়াইজ গড়েন ৪৪ বলে ৭০ রানের জুটি। জয়ের জন্য শেষ তিন বলে দরকার ছিলো ১০ রান। এই সময় ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ হন ওয়াইজ। শেষ হয় নামিবিয়ার স্বপ্ন। ৩৬ বলে ৩টি করে চার-ছক্কায় ৫৫ রানের ইনিংস খেলেন ওয়াইজ। ট্রাম্পেলম্যান অপরাজিত ছিলেন ২৪ বলে ২৫ রানে।

এর আগে কার্দিনিয়া পার্কে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দারুণ ব্যাটিং করে আরব আমিরাত। মোহাম্মদ ওয়াসিমের হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে নির্ধারিত ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান সংগ্রহ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার মুহাম্মদ ওয়াসিম এবং ভৃত্য অরবিন্দ। ৩৯ রানের জুটি গড়েন তারা। ভৃত্য অরবিন্দ একটু স্লো ব্যাটিং করলেও উদ্বোধনী জুটিটাই চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে সহায়তা করে। ৩২ বলে ২১ রান করে আউট হন অরবিন্দ।

এরপর সিপি রিজওয়ানকে নিয়ে ৫৮ রানের জুটি গড়েন ওয়াসিম। ৪১ বলে ৫০ রান করে আউট হন তিনি। ১টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৩টি ছক্কার মার ছিল তার ইনিংসে। আলিশান শরাফু ৪ রান করে ফিরে যান। শেষ মুহূর্তে বাসিল হামিদ ১৪ বলে ২৫ রান করে আরব আমিরাতের স্কোরকে দেড়শর কাছাকাছি নিয়ে যান।

নামিবিয়ার হয়ে ১টি করে উইকেট নেন ডেভিড ওয়াইজ, বার্নার্ড স্কলটজ এবং বেন শিকোঙ্গো।

 

Loading