২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১:৩৮
শিরোনাম:

আওয়মী লীগ নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর মিরপুর দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের প্রত্যাশিত সভাপতি ক্যান্ডিডেট আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে। উম্মে সালমা চৌধুরী রানু নামের এক কুচক্রী মহিলা মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক শ্লীলতাহানি ও নিজ বাড়ি দখলের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় অপপ্রচার চালাচ্ছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক জনপ্রিয়তা দেখে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের একটি কুচক্রী মহল কোনভাবেই চায়না আলহাজ্ব গিয়াসউদ্দিন দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতিত্ব লাভ করুণ।

দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের কমিটি দেওয়াকে কেন্দ্র করেই মূলত প্রতিপক্ষের এই নোংরা খেলায় মেতে ওঠা তারি অপকৌশলের অংশ হিসেবেই উম্মে সালমা চৌধুরী রানু কে তার পিছনে লেলিয়ে দিয় তাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে তাঁকে ফাঁসানোর জন্যই শ্রীলতাহানি ও ৭০/১ বসতবাড়ি দখলের এ মিথ্যে নাটক সাজানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরো বলেন আমার বিরুদ্ধে উম্মে সালমা চৌধুরীর রানুর যে বাড়িটি দখলের অভিযোগ তুলেছেন আপনারা তার মিথ্যে কথা ও তত্ত্ব প্রমাণ এর ভিত্তিতে সত্যতা যাচাই না করে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় আমাকে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার ও সংবাদ প্রচার প্রচারণা করছেন সেই সকল সাংবাদিক ভাই বোন ও বন্ধুদের অনুরোধ করছি দয়া করে আপনারা সরেজমিনে অনুসন্ধানে আসুন এসে দেখুন যে ৭০/১ হরিরাম পুর বাড়িটি আসলে কোথায়।

আমি গত ২২ অক্টোবর ২০২২ ইং শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মরহুম আবুল কোম্পানির মিলাদ মাহফিলে থাকা অবস্থায় শুনতে পারি যে রানু আমার বাড়ি ও দোকানের সাইনবোর্ড খুলছে তখন আমার অফিস স্টাফ ফরহাদ ও বিল্লাল গিয়ে রানু কে জিজ্ঞেস করে যে আপনি আমাদের সাইনবোর্ড কেন খুঁলছেন এ কথার জবাবে রানু বলেন ডিবি অফিসার আমাকে আপনাদের সাইনবোর্ড খুলে আমার সাইনবোর্ড লাগাতে বলেছেন।

আমার অফিসের স্টাফ ফরহাদ ডিবি অফিসারের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে রানু দেশীয় অস্ত্র রামদা নিয়ে বের হয় তাদের কোপানোর জন্য। তিনি আরো বলেন আপনাদের কাছে আমার একটি প্রশ্ন কোর্টে মামলা চলাকালীন অবস্থায় একজন ডিবি অফিসার কিভাবে নির্দেশ দিতে পারে আমার সাইনবোর্ড খুলে তার সাইনবোর্ড লাগানোর। সে আমার নামে কোর্টে মিথ্যা মামলা করেছে যে আমি তার ৭০/১ হরিরামপুর বাড়িটি দখল করেছি তাহলে সাইনবোর্ড লাগাতে হলে সে কোর্টের অর্ডার নিয়ে এসে পুলিশ প্রশাসনকে সামনে রেখে ৭০/১ বাড়িতে গিয়ে সাইনবোর্ড লাগাগ।

সে আমার ক্রয় কৃত সম্পত্তি ১৫ এ ১ আনন্দনগরে কেন সাইনবোর্ড লাগাচ্ছে। আর দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার অফিসের স্টাফ ফরহাদ ও বিল্লালকে কেনইবা তাড়া করছে আপনারা সাংবাদিক আপনারা জাতির বিবেক আপনারাই একটু ভাবুন যে আসলে উনি বিপদগ্রস্ত নাকি আমি বিপদগ্রস্ত ও ভুক্তভোগী। বর্তমানে আমি উম্মে সালমা রানুকে নিয়ে ভিতস্ত রানুর আচরণবিধিতে মনে হচ্ছে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সে উন্মাদ পাগল হয়ে গেছে।

আমি শতভাগ কনফার্ম যে রানু কারো কুপ্ররোচনায় এসে দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের সুষ্ঠুভাবে কমিটি গঠন যাতে না হয় সেই জন্য এই ধরনের শ্রীলতাহানি ও বাড়ি দখলের মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে প্রাণপণ।

আমাদের বিশেষ প্রতিনিধি
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর এর সাংগঠনিক সম্পাদক এ বি এম মাজহার আনাম এর সঙ্গে কথা বললে তিনি তাদের জানান গিয়াস হচ্ছে ত্যাগি সৎ নিষ্ঠাবান স্বচ্ছ পরিচ্ছন্ন ও সাহসী রাজনীতিবিদ। তিনি আরও বলেন গিয়াস অত্যন্ত ভালো মানুষ কোন অসহায় লোক স্থানীয় বা বহিরাগত তার নিকট কোন সাহায্য সহযোগিতার জন্য গেলে কাউকে কখনো খালি হাতে ফেরান না।
বৈশ্বিক মহামরী করোনা পরিস্থিতিতে তিনি হাজার হাজার অসহায় মানুষকে দিয়েছেন খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে তিনি বিভিন্ন মামলা হামলার শিকার হয়েছেন।

নিজ দলের নেতাকর্মীদের ও অসহায় হতদরিদ্র মানুষের জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করার পরেও দল ক্ষমতায় থাকা অবস্থাতেও তিন ব্যক্তিগত স্বার্থে কোন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করেনি কখনো। এক কথায় গিয়াস উদ্দিন নিঃসন্দেহে ভালো মানুষ তার বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ আমার দৃষ্টিতে তাকে রাজনৈতিক এবং সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই না। অন্যদিকে স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায় যে দারুস সালাম থানার আওতাধীন অত্র এলাকার উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গরীব দুখী মেহনতী মানুষের দুঃসময়ের পরম বন্ধু সময়ের সাহসী সন্তান পরিচ্ছন্ন সমাজসেবক বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে ফাঁসানোর জন্য এই কুচক্রী মহিলাকে তার পেছনে লেলিয়ে দিয়ে এই সকল মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

সত্যি কথা বলতে দারুস সালাম থানা আওতাধীন হরিরামপুর বর্ধনবারি আনন্দনগর লালকুঠি থেকে শুরু করে বাগবাড়ি পর্যন্ত ছোট-বড় সকলেই জানে যে উম্মে সালমা রানুর পরিবারের সকলে জামায়াত বিএনপির সদস্য। আমরা দারুসসালাম থানা আওতাধীন সর্বস্তরের জনগণ প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করছি যে।

আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিনের মতো ভালো মানুষের বিষয়ে যে নোংরা মহিলা এই সকল অপপ্রচার মিথ্যা মামলা হামলা চালাচ্ছে তাকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

Loading