৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:৩৩
শিরোনাম:

জিম্বাবুয়ের কাছে ১ রানে হেরেছে পাকিস্তান

জিম্বাবুয়ের দেওয়া ১৩১ রানের স্বল্প পুঁজির লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের ইনিংস থেমেছে ১২৯ রানে। ফলে ১ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো পাকিস্তানকে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এদিন ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই অধিনায়ক বাবর আজমকে হারিয়ে হোঁচট খায় পাকিস্তান। এরপর আবার দলীয় ২৩ রানে পাক শিবিরে আঘাত হানেন ব্লেসিং মুজারাবানি। ফিরিয়ে দেন মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ১৪ রানের মাথায়। যদিও এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন শান মাসুদ। তবে খানিকবাদেই আবারও ইফতিখারকে হারিয়ে বিপদে পড়ে পাকিস্তান।

এমন অবস্থা থেকে ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন শাদাব খান, সঙ্গে শান মাসুদকে সঙ্গে নিয়ে। দলকে জয়ের বন্দরে ভেড়াতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন এই দুই ব্যাটার। তবে বড় আঘাত আসে ১৩ তম ওভারে সিকান্দার রাজার বোলিংয়ে। এক ওভারে এই অলরাউন্ডার ফেরান হায়দার আলি এবং শাদাব খানকে। তখনই ম্যাচের গতিপথ বদলাতে থাকে। এরপর অবশ্য পাকিস্তানকে জয়ের বন্দরে নেওয়ার জন্য মাসুদ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

তবে ব্যক্তিগত ৪৪ রানে সেই রাজার বলে কাটা পড়েন মাসুদ। ম্যাচ তখনো দুলছিল পেন্ডুলামের মতো। পাকিস্তানের হয়ে এরপর চেষ্টা চালাতে থাকেন মোহাম্মদ নেওয়াজ এবং মোহাম্মদ ওয়াসিম। তবে ঠিক ব্যাটে-বলে সংযোগ ঘটাতে পারছিলেন না কেউই। শেষ দুই ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ২২ রান।

এরপরই খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন নেওয়াজ, ১৯ তম ওভারে নাগারাভার লো-ফুলটস বল পাঠিয়ে দেন সীমানার ওপর দিয়ে। ফলে শেষ ওভারে প্রয়োজন পড়ে ১১ রানের।

তখনো চলছে উত্তেজনার পারদ, শেষ হাসি হাসবে কে? এমন অবস্থায় শেষ ওভারের প্রথম বলেই নেওয়াজ নিলেন ৩ রান। পরের বলেই ওয়াসিমের চার। এরপর সিঙ্গেল, এরপর ডট। ২ বলে ৩ রানের প্রয়োজন। এমন সময়ে আউট নেওয়াজ, ম্যাচ জমে ক্ষীর। শেষ বলে প্রয়োজন ১ বলে ৩ রান। শাহীন আফ্রিদি স্ট্রেইট ড্রাইভে মেরে ২ রান নেওয়ার চেষ্টা করলেও ১ রানে থামতে হয়, রান আউটের কবলে পড়ে। ফলে জিম্বাবুয়ের কাছে ১ রানে হেরে ধারাশায়ী হলেন পাকিস্তান।

এর আগে পার্থে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ান অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে দুই ওপেনার ক্রিজে থিতু হওয়ার পরেও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। ওয়েসলি মাধেবেরে ১৭ রানে এবং ক্রেইগ আরভিন ফিরে যান ১৯ রান করে। পরবর্তী সময়ে মিল্টন শুম্বা, সিকান্দার রাজা, রেজিস চাকাভা কেউই পারেননি দুই অংকের ঘরে পৌঁছাতে।

ক্রিজে থেকে শন উইলিয়ামস এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে গেলেও পারেননি দলের হয়ে বড় রান করতে। ফিরেছেন ৩১ রান করে। মূলত শাদাব খান এবং মোহাম্মদ ওয়াসিমের বোলিং তাণ্ডবে দিশেহারা হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। পাকিস্তানি এই পেস বোলার একাই নেন ৪ উইকেট, এছাড়া শাদাব খান নেন ৩ উইকেট।

তবে শেষ দিকে ব্রাড ইভান্সের ১৫ বলে ১৯ রানের চেষ্টায় সম্মানজনক স্কোর পায় জিম্বাবুয়ে। রায়ান বার্ল ১৫ বলে করেছেন মোটে ১০ রান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ে সংগ্রহ করে ১৩০ রান।

Loading