আব্দুল্লাহ আল মামুন, সৌদিআরব প্রতিনিধি : সৌদি প্রবাসী মৃত হাফিজ (৫০)নামে এক রেমিট্যান্স যোদ্ধার পরিবার ও বাংলাদেশের স্থানীয় ঠিকানা মিলছে না ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সৌদি পাসপোর্ট এন্ড ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট এর তথ্যানুযায়ী ২১ বছর পূর্বে তিনি সৌদিতে এসেছিলেন। বিগত ১১ বছর পূর্বে সর্বশেষ ছুটিতে হাফিজ দেশে গিয়েছিলেন।এরপরে আর তিনি বাংলাদেশে যাননি।
জানা যায়, ২০০০ সালের এনালগ হাতে লেখা পাসপোর্ট নিয়ে তিনি সৌদিতে গমন করেন,এরপরে আর নতুন ডিজিটাল পাসপোর্ট গ্রহণ করেননি। সৌদি জাওয়াযাতের তথ্যে পাওয়া যায় উক্ত পাসপোর্ট হাতে লেখা হওয়াতে শুধু নম্বর লেখা রয়েছে ,নম্বরের পূর্বে যে সিরিয়াল অক্ষর লেখা থাকে তা না থাকার কারণে পাসপোর্ট ডাটাবেজে তার কোন তথ্য খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না ।
তথ্যে আরও জানা যায়, দীর্ঘ এই সময় তার ইকামার মেয়াদও বেশ কয়েক বছর অতিবাহিত হলেও তিনি তার ইকামা নবায়ন করেননি।এমতাবস্থায় কয়েকদিন আগে পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে হাফিজ আটক হন এবং তাকে দাম্মামের আল খোবার এলাকার তোকবা ডিপোর্টেশনে ডিপোর্টের জন্য রাখা হয়।
সেখান তার হার্ট অ্যাটাক হলে তাকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালে নেয়ার পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যু বরন করেন ।
এদিকে সৌদিতে বাংলাদেশের দূতাবাস কর্মকর্তাগণ সমস্যায় পড়েছেন তার মৃতদেহ সৌদিতে দাফন করবেন না বাংলাদেশে পাঠাবেন এই নিয়ে। কারণ মৃতের পরিবারের ইচ্ছায়ই মৃতদেহ দেশে প্রেরণ বা সৌদিতে দাফন করার আইন প্রচলিত রয়েছে ।
বাংলাদেশ দূতাবাসের নিকট মৃতের পরিবারের কোন বিস্তারিত তথ্য নেই। শুধু তার নাম হাফিজ আর পিতার নাম আমিন, এই তথ্যটুকুই আছে।
মৃত হাফিজের সঠিক তথ্য জানাতে দূতাবাসের ডেথ সেকশনের মোবাইল নাম্বারে +৯৬৬৫৭০২১২১৮০ কল করে অথবা হোয়াটস আপে জানাতে অথবা ইমেইল করতে deathinfo2015@gmail.com বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হয়েছে ।
![]()