২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:৫৫
শিরোনাম:

খোলা ম্যানহোলে পড়ে আহত জার্মান উপ-রাষ্ট্রদূত

হুইলচেয়ারে বসা অবস্থায় আঘাত পাওয়া পায়ের ছবি দিয়ে টুইট করেন জার্মানির উপ-রাষ্ট্রদূত (বামে)। এরপর ম্যানহোলটি ঠিক করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

রাজধানীর গুলশানে ঢাকনাবিহীন ম্যানহোলে পড়ে আহত হয়েছেন জার্মান উপ-রাষ্ট্রদূত ইয়ান ইয়ানোস্কি। গতকাল সোমবার মাইক্রো ব্লগিং সাইট টুইটারে আঘাত পাওয়া পায়ের ছবি পোস্ট করেন তিনি।

টুইটারে জার্মান উপ-রাষ্ট্রদূত লেখেন, ‘আমি ঢাকা শহরটি পছন্দ করি। কিন্তু আমি সবসময় জানতাম, কোনো না কোনো সময় রাতের বেলা ঢাকনাবিহীন কোনো ম্যানহোলে পড়ে যাব। যদিও আমি সবসময় রাস্তায় চলার সময় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করি।’

‘ঢাকাইনএহুইলচেয়ার’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘আমার জন্য প্রার্থনা করুন, যেন আমি বাংলাদেশ ঘুরে দেখার জন্য দ্রুত সুস্থ হতে উঠতে পারি’।

এ ঘটনার পর আজ মঙ্গলবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলামের হস্তক্ষেপে ঢাকনা বসেছে ওই ম্যানহোলে। এর আগে টুইটারে সাড়া দিয়ে মেয়র জার্মান উপ-রাষ্ট্রদূতের কাছে দুঃখপ্রকাশ করেন এবং ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে জানতে চান। প্রতিক্রিয়ায় ইয়ানোস্কি জানান, জায়গাটি গুলশান-২ নম্বরের ৮০ নম্বর সড়কের ডান দিকটায়, নর্ডিক ক্লাবের কাছে। সেখানে সন্ধ্যায় অনেক বিদেশি হাঁটতে বের হন।

এরপর রাত পৌনে ১১টার দিকে টুইটারে মেয়র জানান, তিনি ঘটনাস্থলে সিটি করপোরেশনের কর্মীদের পাঠিয়েছেন। তিনি লেখেন, ‘দেখে মনে হচ্ছে, দুর্ভাগ্যবশত আরও কয়েকটি জায়গার মতো লোহার ঢাকনা চুরি হয়ে গেছে।’

এ বিষয়ে ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মকবুল হোসাইন বলেন, ‘ঘটনা জানার পরপরই ম্যানহোলটি আমরা মেরামত করেছি।’ তিনি জানান, ‘নগরের অন্য কোনো এলাকায় এ ধরনের খোলা ম্যানহোল থাকলে তা সিটি করপোরেশনের ‘আমার ঢাকা অ্যাপে’ ছবিসহ পাঠাতে।

এদিকে জার্মান উপ-রাষ্ট্রদূতের টুইটে একইভাবে ম্যানহোলে পড়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানান ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের উপ-রাষ্ট্রদূত বার্নড স্পানিয়ের। উপ-রাষ্ট্রদূতকে উদ্দেশ্য করে তিনি লেখেন, ‘আপনি কি জানেন, এটার আমার ক্ষেত্রেও ঘটেছে। দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন।’

পরে নিজের ছেঁড়া স্যুটের ছবি দিয়ে বার্নড স্পানিয়ের লেখেন, ‘আমি সৌভাগ্যবান, কেবল আমার (পুরাতন) স্যুট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ এরপর ইয়ানোস্কি লেখেন, ‘তার মানে এক বছরের মধ্যে ঢাকার রাস্তার ভিকটিম হয়েছেন তিনজন জার্মান।’

Loading