৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৮:০৯
শিরোনাম:

মাথার অংশ পাওয়া গেছে, মনে হচ্ছে আয়াতেরই: পিবিআই

বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী ঘাটের সাগরপাড় এলাকা থেকে নৃশংস হত্যার শিকার শিশু আয়াতের শরীরের অংশ বিশেষ উদ্ধার করে পিবিআই কর্মকর্তারা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

চট্টগ্রামে নৃশংসভাবে খুন হওয়া শিশু আয়াতের মাথার অংশটি পাওয়া গেছে। চেহারা বিকৃত হয়ে গেছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) মনে করছে, মাথার অংশটি শিশু আয়াতেরই। তবে অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন পিবিআই চট্টগ্রাম বিভাগের পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে নগরীর ইপিজেড থানার আকমল আলী রোডের শেষপ্রান্তে নালাসংলগ্ন স্লুইসগেট এলাকা থেকে মাথাটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে দুই পায়ের বিচ্ছিন্ন অংশ পাওয়া যায় বলে দাবি করে পিবিআই। এ নিয়ে শরীরের তিনটি খণ্ডিতাংশ উদ্ধার করা হলো।

নাজমুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মাথার যে অংশটি পাওয়া গেছে, সেটি মনে হচ্ছে শিশু আয়াতেরই। চেহারার অংশটিও আছে, তবে বিকৃত। ডিএনএ পরীক্ষার পর অধিকতর নিশ্চিত হওয়া যাবে। স্লুইচগেটে আটকে থাকা পানির মধ্যে জমা পলিথিনে তল্লাশি করে মাথাটি পাওয়া গেছে।

এর আগে বুধবার দুপুরে একই এলাকা থেকে বিচ্ছিন্ন দুই পায়ের অংশ পাওয়া যায়। সিটি করপোরেশন, সিডিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় স্লুইসগেটের চারটি প্রকোষ্ঠের পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ার পর একটি প্রকোষ্ঠে আটকে যাওয়া পলিথিনে পা দুটি পাওয়া যায়। পিবিআইয়ের পক্ষ থেকে খুনি হিসেবে দাবি করা আবিরের বর্ণনামতো পলিথিনের ভেতর কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল খণ্ডিত অংশগুলো।

গত ১৫ নভেম্বর বিকেলে নগরীর ইপিজেড থানার দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের নয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার মেয়ে চার বছর ১১ মাস বয়সী আলীনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। ১০ দিন পর ২৪ নভেম্বর পিবিআই আবির আলীকে গ্রেপ্তারের পর জানায়, আয়াতকে শ্বাসরোধে খুন করে লাশ কেটে ছয় টুকরো করে। এরপর সেগুলো সাগরে ভাসিয়ে দেয়।

 

Loading