২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৪:১৮

বিএনপি কোনো আন্দোলনে ঢেউ তুলতে পারেনি: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, গণঅভ্যুত্থান নয়, গণআন্দোলনেরও ঢেউ তুলতে পারেনি বিএনপি। তাদের আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা নেই। আন্দোলন শুধুমাত্র তাদের নেতাদের মধ্যে সীমিত। ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ছিল স্বাধীনতার পথে চূড়ান্ত মাইলফলক। বিএনপি ৭ মার্চ, ৭ জুন, ১৪ এপ্রিল, ১০ জানুয়ারি, ২৪ জানুয়ারি মানে না, পালন করে না। ডিবিসি নিউজ, সময় টিভি

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বকশীবাজার নবকুমার ইনস্টিটিউটশন ও ডক্টর শহীদুল্লাহ্ কলেজ প্রাঙ্গণে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মতিউর রহমান মল্লিকের বেদিতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

তিনি বলেন, একাত্তরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার একমাত্র বৈধ অধিকার ছিলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের, অন্যরা পাঠকমাত্র।

নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী ৩০০ আসনের ইভিএমে নির্বাচন করতে চায়। তবে এ বিষয়ে ইসি যে সিদ্ধান্ত নেবে তা মেনে নেবে আওয়ামী লীগ।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, শাজাহান খান, ডাক্তার মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসিম কুমার উকিল, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমদে মন্নাফী, সংসদ সদস্য হাজী সেলিম, সহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে এক আলোচনার সভার আয়োজন করা হয়।

উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে নিহত মতিউর রহমান ১৯৫৩ সালে ২৪ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে পাকিস্তানি স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ হন মতিউর রহমান।

বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মাইলফলক উনসত্তরের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস। তাই এদিনটি নানা আয়োজনে পালন করা হচ্ছে। মুক্তিকামী নিপীড়িত জনগণের পক্ষে জাতির মুক্তি সনদ খ্যাত ৬ দফা এবং পরবর্তীতে ছাত্র সমাজের দেয়া ১১ দফা কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে সংঘটিত হয়েছিল এ গণঅভ্যুত্থান। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

দেশের স্বাধিকার আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, বাংলাদেশের স্বাধিকার ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় ১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি একটি ঐতিহাসিক দিন। এ দিনটি গণঅভ্যুত্থান দিবস হিসেবে আমাদের মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। বাহান্নর ভাষা আন্দোলন, বাঙালির মুক্তি সনদ ৬ দফা, পরবর্তীকালে ১১ দফা ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি মহানস্বাধীনতা। পেয়েছি স্বাধীন-সার্বভৌমরাষ্ট্র বাংলাদেশ।