২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:১৯
শিরোনাম:

প্রেম, বাল্য বিয়ে, অতঃপর মৃত্যু

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার প্রেম করে দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রী নববধূ মারিয়া আক্তার তন্বীকে (১৫) হত্যা মামলায় স্বামী মিনহাজুল রহমান রাব্বিসহ (২২) ৪ জন কারাগারে রয়েছে। মামলার প্রধান আসামি রাব্বির রিমান্ড শুনানী মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি)।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

অপর ৩ আসামি হলো, নিহত তন্বীর শ্বশুর অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক মুজিবুর রহমান, শাশুড়ী শিরিন বেগম ও ননদ মাকসুদা আক্তার।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে নিহত তন্বীর ভাই মেহেদী হাসান (২৩) বাদি হয়ে রাব্বি, তার বাবা মুজিবুর রহমান, মা শিরিন বেগম ও বোন মাকসুদা আক্তার কে আসামি করে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগে মঠবাড়িয়া থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ ওই দিনই রাব্বি ছাড়া ওই ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে।

পরবর্তীতে মামলার পলাতক প্রধান আসামি নিহতের স্বামী মিনহাজুল রহমান রাব্বিকে বগুড়া জেলার শাজাহানপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) থানায় নিয়ে আসেন। ওই দিন বিকেলে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা মঠবাড়িয়া থানার এস আই জেন্নাত আলী আসামি রাব্বিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করেন।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রিমান্ডের শুনানীর দিন ধার্য রয়েছে বলে জানান এস আই জেন্নাত আলী। নিহত তন্বীর চাচাতো ভাই ফোরকার হোসেন জানান, দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া তন্বী রাব্বির সাথে প্রেমে জড়িয়ে ঘটনার ৩ মাস আগে ঢাকায় পালিয়ে যায়। এদিকে তন্বীর মা শোক সইতে না পেরে স্ট্রোক করে মারা যান। পরে ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের মধ্যস্থতায় সম্প্রতি তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তন্বী তার ভাই কে মাঝে মধ্যে ফোন দিয়ে যোগাযোগ করতো।

তিনি আরও বলেন, সোমবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে তন্বী তাকে যেতে বললে, ব্যস্ততার কারণে যেতে পারেনি। পরে বিকেলে ৫টায় দিকে তাকে বলা হয় হাসপাতালে যেতে। সেখানে গিয়ে বোনের লাশ দেখতে পান।

সোমবার রাতেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ মারিয়া আক্তার তন্বীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠান।

মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, মিনহাজুল রহমান রাব্বিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে নববধূ স্কুল ছাত্রী মারিয়া আক্তার তন্বীর মৃত্যুর আসল কারন জানা যাবে। সম্পাদনা: অনিক কর্মকার

Loading