নির্বাচনের ট্রেন গত ২০১৪ সালে যেমন কারও জন্য অপেক্ষা করেনি, আগামী নির্বাচনেও কারও জন্য অপেক্ষা করবে না। বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তবে উকিল আব্দুস সাত্তারের মতো দলটির অনেক কর্মী পদত্যাগ করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। আমরা মনে করি, নির্বাচনে দলের অংশগ্রহণ মুখ্য বিষয় নয়। নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণই হলো মুখ্য।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রংপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি হলো বিষধর সাপ, এখন তারা পদযাত্রা শুরু করছে। সুযোগ পেলেই তারা ছোবল মারবে। তারা যেন কোনভাবেই এই সোনার বাংলায় নতুন করে আর কোনও ষড়যন্ত্র করতে না পারে সেজন্য আওয়ামী লীগের সব কর্মীকে সজাগ থাকতে হবে। তাদের প্রতিহত করতে আমরা মাঠে নেমেছি, আর মাঠ ছাড়বো না। আগামীতে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পুনরায় আবারও প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। সে লক্ষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান ড. হাছান।
মহানগর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ডা. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায়, সংসদ সদস্য একেএম আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাড. সফুরা বেগম, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক একেএম ছায়াদত হোসেন বকুল ও মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেমসহ স্থানীয় আ.লীগ নেতৃবৃন্দ।
![]()