কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি : সূর্যদয় ও সূর্যাস্তের বেলাভূমিতে ফুটে উঠল কাল্পনিক মৎস্যকন্যা ভাস্কর্য। কুয়াকাটায় ভ্রমনে এসে বালু দিয়ে এটি তৈরী করে তাক লাগিয়েছে মো.রফিক নামে এক পর্যটক।সোমবার দুপুরে সৈকতে এমন নান্দনিক চিত্র
ফুটিয়ে তুলছেন তিনি। মৎস্যকন্যা ভাস্কর্য দেখে বিমোহিত হয়েছে আগত পর্যটকরা। কেউ সেলফি তুলছেন।আবার কেউ কেউ প্রশংসা করছেন তাদের।
জানা যায়, রফিক ঢাকার গাজীপুর থেকে কুয়াকাটায় এসে তার অপর তিন বন্ধুদের সহযোগিতায় ভাস্কর্যটি নির্মান করেন। তিনি কাল্পনিক একমৎস্যকন্যার ভাস্কর্য তৈরী করেন। উপরের অংশ নারীর আদলে করা হয়। নিচের অংশমাছের ন্যায়। ভাস্কর্যটি অন্ততঃ ৬ থেকে ৭ ফুট দের্ঘ্য। বালু দিয়ে নির্মান করা হলেও এর ছিল বিশেষ আকর্ষন। মো.রফিক বলেন, তিনি কারো কাছ থেকে এ কাজ শেখেননি। তার চারু- কারুর কোন একাডেমিক স্বীকৃতি নেই। তবে ইউটিউব দেখে তিনি এটি তৈরী করেছেন। এতে সময় লেগেছে প্রায় দুই ঘন্টা। সৈকতে মৎস্যকন্যা ভাস্কর্য নির্মান কজে সহযোগী তার বন্ধু তুহিন জানান, কুয়াকাটার নাম সাগরকন্যা। এ চিন্তা থেকেই তারা ভাস্কর্যটি তৈরী করেছেন।
পর্যটক মো.সোহান বলেন, আমি ভিডিওতে দেখছিলাম মৎস্যকন্যা। কিন্তু কুয়াকাটা এসে দেখলাম বালুর ভাস্কর্য। সত্যি অনেক সুন্দর। অপর এক পর্যটক রাশেল বলেন, এ শিল্পিদের কাজ প্রসংশনীয়। তারা পর্যটকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তবে এমন একটি ভাস্কর্য স্থায়ীভাবে করলে কুয়াকাটায় দর্শনীয় নতুন মাত্র যোগ হবে। কুয়াকাটা পৌর মেয়র মো.আনোয়ার হাওলাদার বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা ধরনে গুনী মানুষ কুয়াকাটায় আসে। সৈকতে এক পর্যটক বালু দিয়ে মৎস্যকন্যার চিত্র ফুটে তুলছে সেটি প্রশংসার দাবিদার।
![]()