৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১২:৩২
শিরোনাম:

নীতিমালা নিয়ে সাংবাদিকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: সিইসি

নির্বাচনের সময় সংবাদ সংগ্রহে নির্বাচন কমিশন যে ‘সাংবাদিক নীতিমালা’ করেছে, সেটি অধিকতর সংশোধন, সংযোজন বা বিয়োজনের প্রয়োজন আছে কিনা- তা দেখে যথাসময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তিনি বলেন, আরও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে প্রয়োজনে সংশোধন করব। এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই বলেও সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করেছেন সিইসি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নিজ দপ্তরের সামনে সাংবাদিকদের নীতিমালা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান তিনি।

ভোটের সময় মোটরসাইকেল চলাচল এবং ভোট কক্ষ থেকে সরাসরি সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞাসহ একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়ে নীতিমালা জারির পরদিন এ আশ্বাস দিলেন সিইসি।

সিইসি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন স্বচ্ছতা চায়, সুশৃঙ্খল, সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক, সেটাই চায়। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা সব বিষয়ে একটা শৃঙ্খলা বিধানের চেষ্টা করব। অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সেই জিনিসটা মাথায় রেখেই হয়ত নীতিমালাটা করেছি। তারপরও যেহেতু আপনারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণের কাজটা করবেন, আপনাদের মতামতগুলো নিয়ে আমরা বসে আরও আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব এবং আপরাদেরকে যথা সময়ে অবহিত করব।’

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটের প্রায় আট মাস আগে সংসদ ও স্থানীয় নির্বাচনে সাংবাদিকদের জন্য এই নীতিমালা প্রণয়ন করেছে ইসি। এই নীতিমালা অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত কার্ডধারীদের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে অন্তত এক ডজন নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, ভোটের দিন যাতায়াতের জন্য একটি গণমাধ্যমকে ‘যৌক্তিক সংখ্যক’ গাড়ির স্টিকার দেওয়া হবে। তবে মোটরসাইকেল ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যাবে না। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর প্রিজাইডিং অফিসারকে অবহিত করে তথ্য সংগ্রহ, ছবি তোলা এবং ভিডিও ধারণ করা যাবে, তবে কোনক্রমেই গোপন কক্ষের ভেতরের ছবি ধারণ করা যাবে না। এক সঙ্গে দুইয়ের বেশি গণমাধ্যমের সাংবাদিক একই ভোটকক্ষে ঢুকতে করতে পারবেন না এবং ১০ মিনিটের বেশি ভোটকক্ষে অবস্থান করতে পারবেন না।

সিইসি বলেন, আমরা সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের জন্য একটা নীতিমালা জারি করেছি। এটা নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। সেটা আমরা মিডিয়া থেকে জানতে পেরেছি। বিষয়টা নিয়ে আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছি।

Loading