২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১:১৩
শিরোনাম:

গজারিয়ায় ভুয়া ভোটকেন্দ্র দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ এর চেষ্টা, চাপের মুখে ফেরত দেওয়া প্রতিশ্রুতি–

গজারিয়া প্রতিনিধি:

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে  ১৯ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র মেরামত ও সংস্কারের জন্য ৭০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ প্রদান করা হয়।
তদন্ত সাপেক্ষে জানা যায় যে ৩৮নং বাঘাইয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ভোট কেন্দ্রে নাই) তথ্য গোপন করে প্রধান শিক্ষক শাহ আলম ৭০ হাজার টাকা একাউন্টে নেওয়ার জন্য উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আজমল হোসেনের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত ছিল এমনটি জানায় প্রধান শিক্ষক শাহ আলম।
অর্থ ছাড় দেওয়ার পূর্বে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে নিয়ে প্রধান শিক্ষক শাহ আলম কে অর্থ প্রাপ্তির বিষয়ে অবগত করলে স্কুলের বিভিন্ন মেরামতের অজুহাত দেখিয়ে টাকা ছাড় দেওয়ার অনুরোধ করে।
বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে জানাজানি হলে প্রধান শিক্ষক শাহ আলম  তথ্য গোপন করে ভোটকেন্দ্রের বরাদ্দের ৭০ হাজার  টাকা নিজ একাউন্টে নেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিলে নিজের ভুল স্বীকার করে এবং টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার আজমল হোসেন জানান পূর্বে এটি ভোট কেন্দ্র ছিল ,কেন্দ্র মেরামতের জন্য ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ এসেছে, যেহেতু ভোট কেন্দ্র নেই টাকা ফেরত অথবা বিদ্যালয়ের সংস্কারের   বিষয়ে সমাধান করার চেষ্টা করিতেছি। নির্ধারিত বরাদ্দর খাত অন্য খাতে ব্যবহার করার নিয়ম আছে কিনা সে বিষয়ে সহকারী শিক্ষা অফিসার গোজামিল দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করেছে।
ভোটকেন্দ্র নির্বাচনের পূর্বে ও উপজেলা প্রকৌশলী কর্তৃক মেরামত কাজের প্রাক্কলন প্রস্তুত করার সময় প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও সহকারী শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে এ অর্থ বরাদ্দের সুপারিশ করা হয়। তাহলে ভুল করে আবার কি করে অর্থ চলে আসে।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল কাদের মিয়া জানান ভুলে অনেক কেন্দ্রে  টাকা চলে আসে, আবার টাকা ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়।  বাগাইয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র মেরামত ৭০ হাজার টাকা আমরা আগামীকাল ফেরত দিয়ে দেব।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোফাজ্জল হোসেন জানান আমাকে তারা জানিয়েছিল ভুলে টাকা চলে এসেছে।
সরকারি বরাদ্দে নেওয়ার পূর্বে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ কর্ম চলে তাহলে সে যাচাই-বাছাইও তথ্য গোপন করে (ভোটকেন্দ্র নেই) তা দেখিয়ে তাহলে কিভাবে ভুল করে টাকা চলে আসে । এ বিষয়ে তারা আমাকে জানায়নি। অনিয়ম হলে তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।