১৯শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:১৩
শিরোনাম:

গজারিয়ায় নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানদের শপথ গ্রহণ —

নেয়ামুল হক গজারিয়া প্রতিনিধি –
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৮মে প্রথম ধাপে প্রথমবারের মতো মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত মনসুর আহমেদ খান জিন্না ও ভাইস-চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যানদের   শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত (৩ জুন) সোমবার বেলা ১১টার সময় সেগুনবাগিচায় ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. সাবিরুল ইসলাম গজারিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মনসুর আহমেদ খান জিন্নাহ সহ ঢাকা বিভাগের ৮ উপজেলার (মুন্সীগঞ্জে সদর গজারিয়া, নরসিংদী পলাশ, মনোহরদী, মানিকগঞ্জ সদর, সিংগাইর সহ মোট ৮ জন উপজেলা চেয়ারম্যান কে শপথ বাক্য পাঠ করান। এছাড়াও এ সময় নবনির্বাচিত উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
শপথ গ্রহণ শেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং শান্তিপূর্ণভাবে প্রথম ধাপের নির্বাচন শেষ করায় নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে মনসুর আহমেদ খান জিন্নাহ। এই শপথ গ্রহণের মধ্যদিয়ে আগামী ৫ বছর গজারিয়া উপজেলার জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। শপথ গ্রহণ শেষে তিনি গজারিয়া উপজেলাবাসীকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন জনগণের পবিত্র আমানত হচ্ছে তাদের ভোট। জনগণ বিশ্বাস করে তাদের পবিত্র আমানত দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছেন এবং যেই উন্নয়নের দ্বারা চলমান আছে, সেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে গজারিয়া বাসির কাছে যেই নির্বাচনী ইশতেহার দিয়ে দায়বদ্ধ হয়েছি তা যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবায়নের চেষ্টা করব।
উল্লেখ্য ৮ মে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাপ পিরিচ প্রতীকে ৪৪ হাজার ৫ শত ৩৫ ভোট পেয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমেদ খান জিন্নাহ গজারিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আনারস প্রতীকের উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো: আমিরুল ইসলাম।
উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম মন্টুর টিউবওয়েল প্রতীকের ৩০ হাজার ৭ শত ৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এবং  উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসাঃ মীনা আক্তার মিনু ফুটবল প্রতীকের ২৬ হাজার ৭ শত ৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।