স্টাফ রিপোর্টার: মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় হোসেন্দী সিটি গ্রুপের অভ্যন্তরে অনুৃমান ১৩:১০ ঘটিকায় নির্মানাধীন ভবনের ছাদ ঢালায়ের সময় সেন্টারিং ভেঙে যায়, ১৪/১৫ জন আহত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। আহতদের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ১২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গুরুতর চারজনকে ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করেন।
হাসপাতাল সূত্রে আহতরা হলেন রিয়াজুল (৩২) নাঈম (২০) মহিদুল (২৪) মিন্টু (৩৫) সুমন (২৫) মামুন আলী (২৮) আবু বক্কর (২২) রাকিব (২৮) কামাল (৫৪) মিরাজ (২২) আলামিন (২২) রাজিউন (২২) মানিক (২৭) আজাদ (৩৫)
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আহত রোগীদের রেখে সিটি গ্রুপের কর্মীগণ পালিয়ে যেতে চাইলে স্থানীয় ও গণমাধ্যম কর্মীরা বিষয়টি অবগত হলে চিকিৎসা দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয় সিটি কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতালের ইমারজেন্সি বিভাগে ডাক্তার ও সহকর্মীরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত ভাবে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।
কিন্তু সিটি গ্রুপের দায়িত্বরত অফিসার শফিকুল ইসলাম সহ অন্যান্যরা কোম্পানির ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় আহত ব্যক্তিদের উন্নত চিকিৎসা দিতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন।
আরো জানা যায় সিটি গ্রুপের অভ্যন্তরে নির্মাণ শিল্পে যথাযথ শ্রম আইন অমান্য করে সাব- কন্টাকটার হিসেবে অনভিজ্ঞ ও অল্প টাকায় নিয়োগ দিয়ে কাজ করান। তাই দূরদূরান্ত হতে সস্তায় শ্রমিকদের এনে নিরাপত্তার বিষয়ে কোন প্রকার আগ্রহ দেখায়নি বলে ঠিকাদাররা তা গণমাধ্যম কর্মীরা জানতে পেরেছে।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজম আলম জানান খবর পাওয়ার সাথে সাথে আমি সহ আইনশৃঙ্খলা সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থল প্রদর্শন করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর কর্তব্যরত চিকিৎসক মোঃ সোলাইমান জানান দুপুর ২:৩০ মিনিট হইতে আহত রোগীরা আসতে থাকলে সাধ্যমত চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষ করে আলামিন, রাজিউন, আজাদ ও সুমন মিয়াকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। তাদের অবস্থা সংকটপূর্ণ।
![]()