‘কিস্তির টাকা না পেয়ে গৃহিনীর আংটি ও বদনা নিল এনজিও’ শীর্ষক খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। ‘ডাম ফাউন্ডেশন ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (ডিএফইডি)’ কর্তৃপক্ষের পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, ৯ নভেম্বর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত উক্ত খবরটি সম্পূর্ণ সত্য নয়।
প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাগেরহাটের চিতলমারীর উত্তরপাটর পাড়া গ্রামের শ্রাবণী হীরা (স্বামীর নাম রিপন রায়) ডাম ফাউন্ডেশন ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (ডিএফইডি)-এর চিতলমারী শাখার সদস্য (সদস্য নম্বর ১৭৪-০২২-০১৪)। তিনি গত ১৪ জুন ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ নেন।
কিন্তু বিনিয়োগ নেওয়ার পর দুই কিস্তি পরিশোধ করলেও তার স্বামী বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। অফিস থেকে বারবার তাগাদা দেওয়া হলেও তিনি দীর্ঘদিন কোনো টাকা পরিশোধ করেননি।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, বারবার টাকা চাওয়ার এক পর্যায়ে সদস্য নিজেই প্রস্তাব দেন— টাকার বিনিময়ে তার কিছু জিনিসপত্র গ্রহণ করতে। প্রথমে অফিস রাজি না হলেও তিনি বলেন, এভাবে না নিলে তিনি টাকা দিতে পারবেন না। পরবর্তীতে বাজারমূল্য যাচাই করে স্বেচ্ছায় এসে অফিসে একটি আংটি ও দুটি কাসার বদনা জমা দেন, যার বাজারমূল্য ৮ হাজার ৮০০ টাকা।
এতে বলা হয়, সদস্য ও তার শাশুড়ি এক মাসের মধ্যে টাকা পরিশোধ করে মালামাল ফেরত নেবেন। এমতাবস্থায়, উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করার জন্য পত্রিকায় খবরটি প্রকাশ করা হয়েছে।প্রতিবাদলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সংবাদে ৪০ হাজার টাকা ঋণ নেওয়ার যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। প্রকৃতপক্ষে তিনি ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন।
![]()