৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:৫৫
শিরোনাম:

অর্থের বিনিময়ে ডেঙ্গু মশা মারা হবে: ঢাকা দক্ষিণের মেয়র তাপস

মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, বছরব্যাপী সমন্বিত মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের আওতায় এখন হতে একজন সেবাগ্রহীতা ডিএসসিসির আওতাধীন এলাকার নিজ বাসা, ভাড়া বাসা, বাণিজ্যিক ভবন বা অন্যান্য স্থাপনায় জমে থাকা মশার লার্ভা বিনষ্ট করতে মশার প্রজননস্থলে কীটনাশক ছিটানো সেবা নিতে পারবেন। সেবা পেতে সেবাগ্রহীতাকে ডিএসসিসির ওয়েব পোর্টালে নিদিষ্ট লিংকের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তিনি বলেন, পাঁচটি ক্যাটাগরিতে সেবা গ্রহণ করা যাবে এবং সেবা গ্রহীতাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সেবা মূল্য হিসেবে প্রদান করতে হবে। আবেদনের পর ৩ কার্যদিবসের মধ্যে এই সেবা প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

তিন কাঠা এক ইউনিটের ৫ তলা বাড়ি ২ হাজার টাকা, ৩ থেকে ৫ কাঠা পর্যন্ত ফ্ল্যাট বাড়ি (প্রতি ফ্লোর) ২ হাজার ৫শ’ টাকা, ৫ থেকে ১০ কাঠা পর্যন্ত এ্যাপার্টমেন্ট ১০ তলা পর্যন্ত (প্রতি ফ্লোর) ৩ হাজার ৫শ’ টাকা, এ্যাপার্টমেন্ট ১০ তলার উপরে বেজমেন্টসহ ৫ হাজার টাকা এবং বাণিজ্যিক ভবন ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার নগর ভবনে অনলাইনের মাধ্যমে মশার প্রজননস্থলে কীটনাশক ছিটানো সেবা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার তাপস একথা বলেন।

মেয়র তাপস বলেন, ঢাকাবাসীর জন্য অনলাইনে আবেদনের ভিত্তিতে মশার প্রজননস্থলে কীটনাশক ছিটানোর উদ্যোগ নিয়েছি। এর মাধ্যমে ঢাকাবাসীকে ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে মুক্তি দিতে পারবো। আমরা ঢাকাবাসীকে ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে মুক্তি দেবো।

তিনি বলেন, কারো বাসা বাড়িতে বা বেজম্যান্টে বা কারো নির্মাণাধীন বাসা বাড়িতে মশার লার্ভা বা লার্ভার বিস্তারক্ষেত্র রয়েছে কিনা, সেটা আমাদের পক্ষে জানা সম্ভব না। কিন্তু মানুষের বাসাবাড়িতে বা নির্মাণাধীন বাড়িতে বা মানুষের বাসার ফুলদানি-টব-টায়ারে মশার বিস্তার হয় সেটা আমরা জানি। এ ধরনের সমস্যাগুলো সমাধানের জন্যই বছরব্যাপী মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করেছি।

ডিএসসিসি মেয়র এ সময় আরও বলেন, এই সেবা পেতে মানুষের বাসাবাড়িতে মশার লার্ভা কিংবা মশার বিস্তারক্ষেত্র থাকলে সেজন্য আমাদের মোবাইল কোর্ট যে জরিমানা করে, তার চাইতেও অনেক কম মূল্যে ঢাকাবাসীকে এ সেবা প্রদান করব।

অনুষ্ঠানে এই সময় অন্যান্যদের মধ্যে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. ইমদাদুল হক, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ আহমেদ, প্রদান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর বদরুল আমিন, সচিব আকরামুজ্জামানসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সম্পাদনা: ইকবাল খান

Loading