২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:৩৫
শিরোনাম:

১০ ফুট ভাঙা কালভার্টে শ্রীপুরের লাখো মানুষের দুর্ভোগ!

নাদির আহম্মেদ পারভেজ , শ্রীপুর গাজীপুর থেকেঃ—গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার শ্রীপুর-লোহাগাছ আঞ্চলিক সড়কের জিনাজাল বাইদের উপর নির্মিত (ফকিরবাড়ীর সংলগ্ন) একটি কালভার্ট দীর্ঘদিন পূর্বে দেবে গিয়ে শনিবার পুরোপুরি ভেঙে যাওয়ায় লাখো মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। জানা যায়, শ্রীপুরকে পৌরসভা ঘোষণার আগে ৯০-এর দশকে সড়কের সাথে এলজি ইডির মাধ্যমে নির্মান করা হয়েছিল কালভার্টটি। কিন্তু ৫ বছর আগে গুরুত্বপূর্ণ এ কালভার্টটির মাঝের অংশ থেকে এক পাশ দেবে গেলে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলের উদ্যোগে অস্থায়ী মেরামত করা হয় । দ্বিতীয় বার ভেঙ্গে যাওয়ার সময় কোনো রকমে কালভার্টের উপরেই স্থানীয়দের উদ্যোগে ইট- বালু দিয়ে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়।কিন্তু ১১ জুলাই শনিবার বিকেলে বৃষ্টিতে আকস্মিক ভাবে কালভার্টটি পুরোপুরি ভেঙে যায়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এ অংশটিই মারকাজ মসজিদ, শ্রীপুর সাবরেজিস্ট্রি অফিস,কাঁচা বাজার ও গরুহাটাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। যার ফলে গড়ে প্রতি ঘণ্টায় এ সড়কে যাত্রীবাহী রিকশা, মালবাহী পিক-আপ ও দুই চাকার শতাধিক যানবাহন চলাচল করে। শ্রীপুর বাজারের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলার দক্ষিন এলাকার কয়েক লাখ মানুষের চলাচলের রাস্তা এটি। ৫ বছর ধরে এ কালভার্টের একাংশ দেবে গেলেও কর্তৃপক্ষের নজরে আসেনি। নতুন করে আবার শ্রীপুর-রাজাবাড়ী রাস্তার মেরামত কাজ শুরু হওয়ায় এ রাস্তাটির ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে গেছে। লোহাগাছ গ্রামের আরফান সরকার বলেন, রাজাবাড়ী-শ্রীপুর রাস্তা হওয়ার পূর্বে মানুষের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম এ সড়কের উপর নির্মিত কালভার্টটি। এটি ভেঙ্গে যাওয়া চরম বিপাকে পড়েছে লোহাগাছ এলাকার বাসিন্দারা। এলাকার মারকাজ মসজিদের আসা মুসল্লী, কৃষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সকল ধরনের সকল শ্রেনীর মানুষের মাঝে দুর্ভোগ নেমে এসেছে।

পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিল আঃ শাহিদ জানান, এ এলাকার জনসাধারনের কথা চিন্তা করে অনেক দৌড়ঝাপের পর পৌর মেয়রকে দিয়ে এলজিইডি থেকে বরাদ্দ দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারা সেটা করে দেয়নি। প্রথম দিকে আমার নিজস্ব অর্থায়নে মেরামতের চেষ্টা করেছি। ভেঙে যাওয়ার পরিমান বেশী হওয়ায় নতুন তৈরি করতে হবে। পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী হারুন রশীদ জানান, এ রাস্তাসহ দুটি রাস্তা মেরামতের জন্য উপজেলা এলজি ইডি বরাবরে স্কিম পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু একটি রাস্তার কাজ হলেও এ রাস্তাটি করেনি তারা। তবে, সামনের টেন্ডারে অবশ্যই করা হবে। উপজেলা এলজি ইডির সহকারী প্রকৌশলী মাকসুদুল ইসলাম জানান, পৌরসভার রাস্তার উপর কালভার্ট নির্মাণের আমাদের এখতিয়ার নেই। পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, আমি এখানে নতুন এসেছি। কালভার্টের বিষয়ে আমার জানা নেই। স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সাথে কথা বলে সামনের টেন্ডারে অবশ্যই সংযুক্ত করা হবে।

Loading