৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:২৩
শিরোনাম:

লাজ ফার্মায় র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ অনুমোদনহীন ওষুধ জব্দ, জরিমানা ২০ লাখ টাকা

অনুমোদনহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওযুধ রাখা, বেশি দামে ওষুধ বিক্রি এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ওষুধ আমদানির দায়ে লাজ ফার্মার কাকরাইল শাখাকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

ক্রেতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার ওই শাখায় যৌথ অভিযান চালায় র‌্যাব ও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট পলাশ কুমার বসু পরিচালতি ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পক্ষে নেতৃত্বে ছিলেন সহকারি পরিচালক ইকবাল হোসেন। এ সময় উপস্থিত অনেক ক্রেতা মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ঘষামাজাসহ লাজফার্মার নানা প্রতারণার অভিযোগ তুলে ধরেন।

ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, অভিযানকালে ৫০ প্রকারের বেশি অনুমোদনহীন ওষুধ পাওয়া গেছে। যার বাজার মূল্য ৩০ লাখ টাকার বেশি। জব্দ করা ওষুধের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি লাজ ফার্মা কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজনে শাখাটি সিলগালা করা হবে।

তিনি জানান, কোন ধরনের ওষুধ আমদানি করা যাবে, কোনগুলো আমদানি নিষিদ্ধ, তা সরকার নির্ধারণ করেছে। তাছাড়া ওষুধ আমদানির ক্ষেত্রেও বাধ্যবাধকতা রয়েছে, রয়েছে রাজস্ব পরিশোধের বাধ্যবাধকতাও। কিন্তু লাজ ফার্মার কাকরাইল শাখায় আমরা দেখতে পেয়েছি, বিপুল পরিমাণ অননুমোদিত ওষুধ ও ইনজেকশন মজুদ করা হয়েছে। এর অধিকাংশগুলিই তারা আমদানি করেছেন লাগেজ পার্টির মাধ্যমে। এতে করে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন বলেন, অনুমোদনহীন ও ভেজাল ওষুধগুলো লাগেজ পার্টিতে আনা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

গত ৯ জুলাই উত্তরায় একটি নকল ওষুধের কারখানায় অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। ওই সময় সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ উদ্ধার করা হয়। পরে জানা যায় এসব ওষুধ রাজধানীর লাজ ফার্মা এবং তামান্না ফার্মাসহ নামিদামী ফার্মেসিগুলোতে সরবরাহ করা হতো। এরপর ওউ দুই ফার্মেসীতে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুটি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা ও সতর্ক করা হয়।

Loading