আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেনে উন্নতীকল্পে ইতিমধ্যে জাইকার অর্থায়নের নীতিগত অনুমোদন পাওয়া গেছে। চট্টগ্রামের মেট্রোরেল স্থাপনের লক্ষে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি অর্থায়নের বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রণালয় ইআরডির মাধ্যমে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, দেশে অবকাঠামো উন্নয়ন অনেক হয়েছে, তবুও এখনও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসেনি। এনিয়ে বিআরটিএকে নিয়েও অনেক অভিযোগ রয়েছে। সর্ষের মধ্যে ভূত অবশ্যই তাড়াতে হবে। সড়ক ও সেতু উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বরাদ্দ দিলেও সড়কে শৃঙ্খলা না ফেরায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে সড়ক নির্মাণ কাজের গুনগত মান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কাদের।
চট্টগ্রাম ও পার্বত্য এলাকায় পাহাড়ি ঢলের আশংকা থাকায় আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ায় নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে আছে। সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও মানবিক সহায়তা নিয়ে তাদের পাশে আছে। এছাড়া সড়কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ও মানুষকে স্বস্তি দিতে অবিরাম বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সঙ্গে সঙ্গে মেরামত করার আহবান জানান।
কাদের বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের এক অনন্য উদ্যোগ কর্ণফুলী টানেল। এ টানেল সম্প্রসারণের পাশাপাশি বদলে দেবে বন্দরনগরীর উন্নয়ন চিত্র। এ টানেলের দুটো টিউবের একটির খনন কাজ প্রায় ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে। এছাড়া সরকার কক্সবাজার থেকে ইনানী পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ ৩২ ফুট প্রশস্তকরণের উদ্যোগ নিয়েছে। এ প্রকল্পের প্রস্তুতি দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান সেতুমন্ত্রী।
তিনি আরও বলে
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেনে উন্নতীকল্পে ইতিমধ্যে জাইকার অর্থায়নের নীতিগত অনুমোদন পাওয়া গেছে। চট্টগ্রামের মেট্রোরেল স্থাপনের লক্ষে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি অর্থায়নের বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রণালয় ইআরডির মাধ্যমে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, দেশে অবকাঠামো উন্নয়ন অনেক হয়েছে, তবুও এখনও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসেনি। এনিয়ে বিআরটিএকে নিয়েও অনেক অভিযোগ রয়েছে। সর্ষের মধ্যে ভূত অবশ্যই তাড়াতে হবে। সড়ক ও সেতু উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বরাদ্দ দিলেও সড়কে শৃঙ্খলা না ফেরায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে সড়ক নির্মাণ কাজের গুনগত মান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কাদের।
চট্টগ্রাম ও পার্বত্য এলাকায় পাহাড়ি ঢলের আশংকা থাকায় আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ায় নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে আছে। সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও মানবিক সহায়তা নিয়ে তাদের পাশে আছে। এছাড়া সড়কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ও মানুষকে স্বস্তি দিতে অবিরাম বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সঙ্গে সঙ্গে মেরামত করার আহবান জানান।
কাদের বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের এক অনন্য উদ্যোগ কর্ণফুলী টানেল। এ টানেল সম্প্রসারণের পাশাপাশি বদলে দেবে বন্দরনগরীর উন্নয়ন চিত্র। এ টানেলের দুটো টিউবের একটির খনন কাজ প্রায় ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে। এছাড়া সরকার কক্সবাজার থেকে ইনানী পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ ৩২ ফুট প্রশস্তকরণের উদ্যোগ নিয়েছে। এ প্রকল্পের প্রস্তুতি দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান সেতুমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, বিআরটিসি দেশের পতাকাবাহী গণপরিবহন। সরকার এ প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করেছে। দুর্নীতি থেকে বেরিয়ে না আসলে প্রতিষ্ঠান টেকানো কঠিন হবে। অনিয়ম বন্ধ করতে হবে এবং সতর্ক বা সংশোধন না হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।
বুধবার চট্টগ্রামে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে চট্টগ্রাম সড়ক জোন, বিআরটিসি, বিআরটিএ, টানেল প্রকল্পের অগ্রগতি ও ঈদ প্রস্তুতি নিয়ে তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ
![]()