৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:৪৫
শিরোনাম:

নজিরবিহীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে শেষ হলো এবারের সীমিত আয়োজনের হজ

প্রাণঘাতী বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ এর বদলে যাওয়া সময়ে অনুষ্ঠিত হলো এবারের পবিত্র হজ। আনুষ্ঠানিকতার প্রতিটি ধাপই ছিল নিয়ন্ত্রিত। শুক্রবার ফজরের নামাজ শেষে জামারায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের পর পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে শেষ হয় ২০২০ সালের হজের আনুষ্ঠিকতা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

লাখো মুসল্লির পদচারণায় প্রতিবছর মুখর থাকলেও এবার মসজিদুল হারাম এলাকায় ছিল একেবারেই ভিন্ন চিত্র। এমন হজ আগে আর কখনো দেখেনি বিশ্ববাসী।

গত বুধবার (২৯ জুলাই) এক হাজার হাজি করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে হজ পালন শুরু করেন। মহামারি কোভিডের কারণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় এবার সৌদি আরবের বাইরে থেকে পবিত্র হজ পালনে কোনো লোক অংশগ্রহণ করতে পারেনি। তবে সৌদি বসবাসকারী বিশ্বের ১৬০ দেশের মানুষ এবারের হজে অংশগ্রহণ করেছে। যেখানে অন্যান্য বছর প্রায় ২৫ লাখ লোক হজে অংশগ্রহণ করতো।

কোভিড-১৯ এর কারণে এ বছর আরাফাতের ময়দানে হজ পালনকারীদের জন্য ব্যাপক নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সেবার সর্বোচ্চ ব্যবস্থাও নিশ্চিত করে হজ ও ওমরাহ কর্তৃপক্ষ। আরাফাতের ময়দানে প্রচণ্ড গরম মোকাবেলায় নেয়া হয়েছিল পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ও প্রস্তুত রাখা হয়েছিল অভিজ্ঞ স্বেচ্ছাসেবক ও স্বাস্থ্য সেবকদল।এছাড়া কোভিডের সংক্রমণ রোধে হজের জন্য মনোনীতদের প্রত্যেকের করোনা পরীক্ষা করানো হয়। হজ শুরুর আগে দুই ধাপে কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়। এছাড়া, সব আনুষ্ঠানিকতায় হাজিদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক ছিলো।

সংক্রমণ রোধে জমজমের পানি সরবরাহ করা হয়েছে প্লাস্টিকের প্যাকেটে। সেই পানিই পান করতে হয়েছে সবাইকে। এছাড়া জামারাহ্তে শয়তানকে পাথর ছোঁড়ার আনুষ্ঠানিকতাতেও ছিল নতুনত্ব। এবার সর্বোচ্চ ৫০ জন হাজি এক সঙ্গে পাথর নিক্ষেপ করেছেন। সে পাথরও হাজিরা সংগ্রহ করেননি। জীবাণুমুক্ত পাথর সরবরাহ করা হয় আগেই।

Loading