হুমায়ন কবির মিরাজ ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: কলারোয়ায় পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই এক কিশোরীর অপারেশন করা হয়েছে। কলারোয়ায় নিবন্ধনহীন বেসরকারি শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল অস্ত্র পাচারে কলারোয়া উপজেলার চিতলা গ্রামের জামাল সরদারের মেয়ে হাজিরা খাতুন (১৭) নামের এক কিশোরী হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। কিশোরীর বড় ভাই খায়রুল বাশার ন্যায় বিচারের দাবী জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর অভিযোগ দায়েরের সুত্রে গতকাল বুধবার সরেজমিনে আমানুল্লাহ কলেজের পাশে অবস্থিত ডা: ঈসমাইল হোসেনের মালিকানাধীন কলারোয়া শিশু ও জেনারেল (প্রা:)হাসপাতালের ১০৪ নং কেবিনে ঢুকতেই সাংবাদিক পরিচয় জানতে পেরে ভ’ক্তভোগী হাজিরা হাউমাউ করে কেঁদে বলেন, যে ডাক্তার আমার জীবন নিয়ে ব্যবসা করলো আমি সেই ডাক্তারের আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে সুষ্ট বিচার চাই। আর যেন কোন বোন আমার মত এমন প্রতারনার শিকার না হয়।
কে নেবে আমার জীবনের দায়িত্ব এ ভাবেই আর্তনাদ করতে থাকেন ? হাজিরার ভাই খায়রুল বাসার জানান, আমার ছোটবোন হাজিরা খাতুন পেটে যন্ত্রনা শুরু হলে তাকে নিয়ে প্রথমে কলারোয়া হাসপাতালে ভর্তি করি। সেখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় আমার বোনকে নিয়ে কলারোয়া শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডা: ঈসমাইল হোসেন রোগী দেখে জরুরী অস্ত্র পাচারের পরামর্শ দেন। ডাক্তারের পরামর্শে অপারেশনের জন্য আমরা সম্মত হই। কিন্তু অপরাশনের মাধ্যমে জানা যায় যে তার পিত্ত থলিতে আদৌতে কোন পাথর ছিল না। এ বিষয়ে সার্জারি ডাক্তার ঈসমাইল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, রোগীর স্বজনের পীড়া-পীড়ির কারনে তড়ি ঘোড়ী করে আমি অস্ত্র পাচার করেছি । সে তো সুস্থ আছে তাহলে আপনাদের সমস্যা কোথাই। লিখিত অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী জেরিন কান্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি এখনও অভিযোগ হাতে পাইনি, তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!