২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৮:৪৭
শিরোনাম:

বিবস্ত্র করে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের ঘটনার তদন্ত ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ডিআইজি আনোয়ার হোসেন

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে অনৈতিক কাজের অপবাদে এক নারীকে (৩৬) বিবস্ত্র করে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের ঘটনার তদন্ত ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

পরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ডিআইজি বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখ ও ন্যাক্কারজনক।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে নির্যাতিতা ওই নারী, তার বাবা ও স্বামীর সঙ্গে বেগমগঞ্জ থানায় কথা বলেন ডিআইজি।

মামলায় কেন দেলোয়ারের নাম আসেনি এমন প্রশ্নের জবাবে ডিআইজি বলেন, মামলায় ভিকটিম ৯ জনের নাম উল্লেখ করেছেন। এর বাহিরে দেলোয়ার ও ইউপি সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন সোহাগকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত ছাড়াও ঘটনার তদন্তে যাদের নাম উঠে আসবে তাদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। অভিযুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় পৃথক দু’টি মামলা করেছেন। ভিকটিমের ভাষ্য অনুযায়ী অভিযুক্ত যুবকরা তাকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করতেন। তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্য মোয়াজ্জেমকে বিষয়টি জানালেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি বা পুলিশকেও জানায়নি। ইতোমধ্যে মামলায় এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও ভিকটিমের দেয়া আদালতে ২২ ধারার জবানবন্দিতে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন সোহাগের নাম আসায় সোমবার রাতে তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

পরে তিনি ভিকটিমের বাড়ি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন, বেগমগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান শেখ।

প্রসঙ্গত, ২ সেপ্টেম্বর রাতে ওই নারী নির্যাতনের শিকার হন।

Loading